এই গরমে ফলের রাজা আমের (Mango) দাম আগুন। জুন মাসে আমের মূল্যস্ফীতি ছিল 37 শতাংশ, যা মে মাসে ছিল 25 শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এই বছর জুলাইয়ের প্রথম দুই সপ্তাহে পাইকারি বাজারে আমের দাম 12 শতাংশ বেশি অর্থাৎ প্রতি কেজি 39.6 টাকা। গত বছর এই দাম ছিল 35.4 টাকা প্রতি কেজি।
তবে শুধু আম (Mango) নয়, অন্য ফলের দামও আকাশ ছোঁয়া। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে তরমুজের দাম গড়ে 15.8 শতাংশ বেড়েছে। জুনে লিচুর মূল্যস্ফীতি তিন গুণ বেড়ে 15.2 শতাংশ হয়েছে, যা মে মাসে ছিল 4.6 শতাংশ। ফলের মূল্যস্ফীতির হার জুন মাসে ছিল 7.4 শতাংশ, যা 2024 সালের মার্চ মাসে ছিল 3.3 শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলের এই মূল্যস্ফীতি আগামী কয়েক মাস অব্যাহত থাকতে পারে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং এবং উৎপাদন হ্রাসের কারণে গ্রীষ্মকালে এই ওঠানামা খুব বেশি হয়। বপন পদ্ধতির উন্নতির ফলে শস্য ও ডালের দাম কমার কথা থাকলেও শাকসবজি ও ফলের দাম কমতে সময় লাগবে।
গত 12 মাসের মধ্যে 10 মাসে সবজির মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। জুন মাসে তা বেড়ে 30.2 শতাংশ হয়েছে, যা মে মাসে 28.2 শতাংশ ছিল। পাইকারি বাজারে ফলের মূল্যস্ফীতি জুন মাসে দ্বিগুণ হয়ে 10.14 শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মে মাসে ছিল 5.81 শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের এক অংশ বলছেন,
দেশে চলমান তাপের অবস্থা উৎপাদন কমার একটি কারণ। ভোক্তা কেনার ক্ষেত্রে ফল ও সবজির অংশ 10 শতাংশ।
Article By – আস্তিক ঘোষ






