মিউচ্যুয়াল ফান্ড এমন একটি বিনিয়োগ যেখানে একাধিক বিকল্প রয়েছে আপনার কাছে, যেমন – large cap, mid cap, small cap, debt, equity ইত্যাদি। ফলে এতগুলি বিকল্প থেকে সঠিক ফান্ড বেছে বিনিয়োগ করা বেশ কঠিন হতে পারে। আজ আমরা দেখে নেব মিউচ্যুয়াল ফান্ডেরই একটি বিকল্প small cap fund কী, কেন বিনিয়োগ করবেন এবং বিনিয়োগের আগে কোন বিষয়গুলি বিবেচনা করবেন।
স্মল ক্যাপ ফান্ড কী?
স্মল ক্যাপ ফান্ড হল একধরনের equity fund যেটি স্মল ক্যাপ কোম্পানির স্টকে বিনিয়োগ করে। SEBI-র নিয়ম অনুযায়ী এই ফান্ডের অন্তত 65% বিনিয়োগ small cap কোম্পানির স্টকে হতেই হবে। স্মল ক্যাপ কোম্পানিগুলির ভবিষ্যতে বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশি এবং মনে করা হয় এই কোম্পানিগুলি ভবিষ্যতে ভালো রিটার্ন দিতে পারে। এছাড়াও যেহেতু কোম্পানিগুলির আকার বা পরিধি ছোটো এবং সেইভাবে কোম্পানিগুলি সম্পর্কে বেশি তথ্য উপস্থিত নেই তাই স্টকের দামের ওঠানামাজনিত ঝুঁকি বেশি থাকে স্মল ক্যাপ ফান্ডে।
কেন স্মল ক্যাপ ফান্ডে বিনিয়োগ করবেন?
- পোর্টফোলিওর ডাইভারসিফিকেশন : বিনিয়োগের মূলমন্ত্রই হল সব অর্থ একজায়গায় বিনিয়োগ না করা অর্থাৎ পোর্টফোলিওতে আলাদা আলাদা অ্যাসেট অবশ্যই রাখতে হবে, অর্থাৎ সহজ কথায় পোর্টফোলিও diversify করতে হবে। আপনার পোর্টফোলিওতে যদি large, mid cap-এর পাশাপাশি small cap fund-ও থেকে থাকে তাহলে দীর্ঘমেয়াদে যেমন ভালো রিটার্ন পাওয়া যাবে তেমনই ক্যাপিটাল অ্যাপ্রিসিয়েশনের ভালো সুযোগও থাকবে।
দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ : আপনি যদি long-term investor হন তাহলে small cap আপনার জন্য বেশি ভালো হবে কারণ দীর্ঘমেয়াদেই এই ফান্ড ভালো রিটার্ন দেয়। দীর্ঘমেয়াদে স্মল ক্যাপ কোম্পানি নিজের পরিধি বাড়িয়ে mid বা large cap কোম্পানিতে পরিণত হতেও পারে।
Undervalued stock : অনেক small cap কোম্পানির স্টকের দাম অনেক সময় undervalued থাকে। Fund manager-রা ভালো fundamental রয়েছে এমন কোম্পানির undervalued স্টকে অনেক সময়ে বিনিয়োগ করে যা ভবিষ্যতে ভালো রিটার্ন দিতে পারে।
স্মল ক্যাপ মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের আগে কী কী বিষয় দেখবেন?
→ সঠিক ফান্ড বাছা: স্মল ক্যাপ ফান্ড নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল সঠিক ফান্ড বাছা, কারণ mid ও large cap-এর তুলনায় অনেক বিচক্ষণতা ও রিসার্চের প্রয়োজন স্মল ক্যাপ ফান্ডের ক্ষেত্রে। Asset management Company এবং fund manager সম্পর্কে ভালোভাবে রিসার্চ করে, ফান্ডটির past performance দেখে বিনিয়োগ করা উচিত।
→ ঝুঁকি ও ডাইভারসিফিকেশন: স্মল ক্যাপ কোম্পানিগুলি তুলনায় নতুন হওয়ায় এগুলি সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য উপস্থিত থাকে না। ফলে কোম্পানিগুলি কেমন পারফর্ম করবে সেই নিশ্চয়তা থাকে না। সেই কারণে অতিরিক্ত ঝুঁকি রয়েছে এই ধরনের ফান্ডে। তাই আপনি যদি স্মল ক্যাপ ফান্ডে বিনিয়োগ করতে চান তাহলে ঝুঁকি কমাতে তার পাশাপাশি লার্জ ক্যাপ ফান্ডেও বিনিয়োগ করুন। কারণ লার্জ ক্যাপে রিটার্ন সামান্য কম হওয়ায় ঝুঁকিও কিছুটা কম। তাই diversify করলে ঝুঁকি ও রিটার্নের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি হবে।
→ SIP : স্মল ক্যাপ ফান্ড যেহেতু একটু বেশি ভোলাটাইল তাই এই ফান্ডে একেবারে lumpsum বিনিয়োগ না করে SIP করলে প্রতি মাসের আলাদা আলাদা বাজার পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন ফলে rupee ও cost-এর average হয়ে যাবে।
→ Expense ratio : প্রতিটি ফান্ড ম্যানেজ করতে ফান্ড হাউসগুলি একটি ফি চার্জ করে, তাকে expense ratio বলা হয়। এই expense ratio-র মধ্যে ফান্ড ম্যানেজারদের ফি, ট্র্যানজ্যাকশন ফি, মার্কেটিং-এর খরচ ইত্যাদি যুক্ত থাকে। Expense ratio যদি বেশি হয় তাহলে তা রিটার্নের ওপর প্রভাব ফেলে ও রিটার্ন কমিয়ে দেয়। Small cap fund নির্বাচনের আগে একাধিক ফান্ডের মধ্যে expense ratio-র তুলনা অবশ্যই করুন।
বিনিয়োগ লক্ষ্য : Small cap fund-এ বিনিয়োগের আগে নিজের বিনিয়োগ লক্ষ্য অবশ্যই বুঝুন। আপনি যদি স্বল্পমেয়াদ অর্থাৎ ১-২ বছরের জন্য বিনিয়োগ করতে চান তাহলে small cap fund একেবারেই ভালো বিনিয়োগ বিকল্প নয় কারণ স্বল্পমেয়াদে এই ফান্ডের ভোলাটিলিটি অনেক বেশি যা রিটার্নে প্রভাব ফেলবে। ৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে বিনিয়োগ করতে চাইলে স্মল ক্যাপ ফান্ডে বিনিয়োগ করা যেতে পারে।






Sandip Laha
September 12, 2024Mf central e kivabey demat ac khola Jane?? Notun der jonno