Article By – সুনন্দা সেন

ঝুঁকি আর অনিশ্চয়তার ভয় থাকার শর্তেও বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের কাছে বিনিয়োগের অন্যতম বিকল্প হয়ে উঠেছে শেয়ার বাজার। পছন্দের স্টকে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীদের এক অংশ মোটা অঙ্কের রিটার্ন পেতে সক্ষম হয়ে উঠছেন। তবে একদল বিনিয়োগকারী অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বেপরোয়া ভাবে বিনিয়োগ করছে। যে কারণে সেই সকল বিনিয়োগকারীরা মোটা অঙ্কের লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে। রিপোর্ট বলছে বিশেষ করে ফিউচারস অ্যান্ড অপশনস ট্রেডিং (F&O) –এ বিনিয়োগকারীরা অতিরিক্ত লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন।
সূত্রের খবর, খুচরা বিনিয়োগকারীরা ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বিগত তিন বছরের মেয়াদে F&O- এর মাধ্যমে ট্রেডিং করে ১.৮১ লক্ষ টাকা লোকসান করেছে। এই মেয়াদের মধ্যে মাত্র ৭.২% খুচরা বিনিয়োগকারীরা মুনাফা পেতে সক্ষম হয়েছেন। ভারতের শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া বা SEBI সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় এই তথ্য প্রকাশ্যে করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকাশিত তথ্য F&O ট্রেডারদের জন্য স্পষ্টভাবেই একটি বড় দুশ্চিন্তার কারন হয়ে উঠেছে।
যদি আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখলে জানা যাচ্ছে যে ফিউচারস অ্যান্ড অপশনস ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে ২০২১-২২ আর্থিক বছরে দেশের খুচরা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ছিল ৫.১ মিলিয়ন। যা ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের শেষে খুচরা বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯.৬ মিলিয়ন। ডেরিভেটিভস সেগমেন্টের ট্রেডারদের মধ্যে ৯৯.৮% খুচরা বিনিয়োগকারী রয়েছে। অর্থাৎ সংখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে স্পষ্টভাবেই ফিউচারস অ্যান্ড অপশনস ট্রেডাররা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবে এটিও জেনে রাখা দরকার যে কেবল F&O নয়, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে খুচরা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ৯১.১শতাংশ ডেরিভেটিভ সেগমেন্টে প্রায় ৭৫,০০০ কোটি টাকার লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন।
[ মনে রাখবেন আমাদের উদ্দেশ্য হল আপনাদের কাছে শেয়ার বাজার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংক্রান্ত সঠিক তথ্য বাংলা ভাষায় তুলে ধরা। এছাড়া অবশ্যই জানিয়ে রাখা ভালো যে, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করা দরকার। Buzy With Info কখন কোনো স্টকে, বন্ডে বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় না। কেবল জ্ঞান বৃদ্ধি ও শিক্ষার জন্য বাজার সম্পর্কিত খবর প্রকাশ করা আমাদের লক্ষ্য।]




