Article By – সুনন্দা সেন

২০২৫ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের নয় মাস (এপ্রিল-ডিসেম্বর) পর্যন্ত প্রাথমিক বাজার থেকে মোট সম্পদ সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১.১ ট্রিলিয়ন টাকা। জরিপ অনুসারে, এই পরিমান ২০২৪ অর্থবছরের IPO রুটের মাধ্যমে সংগৃহীত মোট অর্থের ৫% বেশি এবং সরকারি ও বেসরকারি কর্পোরেশনগুলির মোট স্থায়ী মূলধন গঠনের ২৫.৬%। ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী IPO তালিকায় ভারতের অংশ ২০২৪ সালে ৩০%-এ উন্নীত হয়েছে। যা ২০২৩ সালে ১৭% ছিল। যা এটিকে বিশ্বব্যাপী প্রাথমিক সম্পদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয় আবেদনকারী করে তুলেছে।
২০২৫ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর মাসে IPO-এর সংখ্যা ৩২.১% বেড়ে ২৫৯টিতে দাঁড়িয়েছে। যা আগের বছরের একই সময়ে ১৯৬টি ছিল। যেখানে একই সময়ে সংগৃহীত পরিমাণ প্রায় তিনগুণ বেড়ে ৫৩,০২৩ কোটি থেকে ১.৫৩ ট্রিলিয়ন টাকায় দাঁড়িয়েছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, মেইনবোর্ড প্ল্যাটফর্মে ইস্যুর আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ গড় IPO চুক্তির আকার বেড়ে ২,১২৪ কোটি টাকা হয়েছে। আর ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের IPO-এর ক্ষেত্রে একই সময়ের মধ্যে গড় চুক্তির আকার ৩১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩৯ কোটি টাকা হয়েছে। SIP-এর মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিমাণও বেড়েছে।
২০২৪ সালে IPO সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা তীব্র গতীতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষে বার্ষিক ভিত্তিতে এই ধরণের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৩৩% বেড়ে ১৮.৫ কোটিতে পৌঁছেছে। জরিপে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে কোয়ালিফাইড ইনস্টিটিউশনাল প্লেসমেন্ট বা QIPs কর্পোরেটদের জন্য পছন্দের ইক্যুইটি তহবিল সংগ্রহের ব্যবস্থা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আর তারা মোট মূলধনের ১১.৪% QIPs-এর মাধ্যমে সংগ্রহ করে। রাইট ইস্যুর মাধ্যমে ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৬,৮৮১ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। যা ২০২৩ সালের একই সময়ে ৬,৫৩৮ কোটি টাকা ছিল। অর্থাৎ এক বছরে প্রায় ১৫৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।




