রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির পর টাটা গ্রুপের টাটা কনজিউমার প্রকাশ করলো ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকের ফলাফল। সংস্থার পক্ষ থেকে পেস করে তথ্যানুসারে, শেষ ত্রৈমাসিকে নেট প্রফিট কমেছে কোম্পানির। তবে টাটা কনজিউমারের রেভিনিউ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সাথে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে কোম্পানিটি তার শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ড প্রদান করবে। চতুর্থ ত্রৈমাসিকের ফলাফলের সাথে ৭৭৫% ডিভিডেন্ডরও ঘোষণা করেছে সংস্থা। সংস্থার ৬১তম বার্ষিক সাধারণ সভায়, প্রতি শেয়ারে ৭.৭৫ টাকা ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে টাটা কনজিউমার।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ ত্রৈমাসিকে অর্থাৎ চতুর্থ ত্রৈমাসিকে টাটা কনজিউমারের নেট মুনাফা ২২.৭% কমে হয়েছে ২৬৭.৭ কোটি টাকা হতে দেখা গিয়েছে। সেখানে আগের অর্থবছরের একই ত্রৈমাসিকে সংস্থার নিট মুনাফা ছিল ৩৪৫.৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে আবার একই ত্রৈমাসিকে আগের অর্থবছরে টাটা কনজিউমারের রেভিনিউ ছিল ৩৬১৯ কোটি টাকা। যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৮.৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩৯২৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ মুনাফা কমলেও রিভিনিউ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ত্রৈমাসিকের ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পর আজ অর্থাৎ ২৪ এপ্রিল টাটা কনজিউমারের শেয়ার প্রাইজ ৫% কমে গেছে। তবে সংস্থার ৫২ সপ্তাহের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ১২৬৯ টাকা এবং সর্বনিম্ন মূল্য ছিল ৭০৬ টাকা। এছাড়া গত এক বছরের হিসেব দেখাচ্ছে যে, টাটা কনজিউমারের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা ৬৭.৫৩% রিটার্ন পেয়েছেন। অন্যদিকে ৫ বছর ধরে যে বিনিয়োগকারীরা এই শেয়ার ধরে রেখেছেন তারা ৪৫৯.৮০% রিটার্ন পেয়েছেন। আর এই রেসিও, সাধারণ মানুষের টাটা গ্রুপের প্রতি ভালবাসা ও বিশ্বাসের সাথে বাজার বিশেষজ্ঞদের মতামত বলছে, আগামীদিনেও টাটা কনজিউমার তার শেয়ারহোল্ডারদের ভালো রিটার্ন জেনারেট করতে সাহায্য করবে।
তবে মনে রাখতে হবে যে শেয়ার বাজার ঝুঁকিপূর্ন। তাই কখন কি হয়ে যায় বোঝা যায় না। এমন অবস্থায় আপনি যদি নিরাপদ বিনিয়োগ পদ্ধতির খোঁজে থাকেন, তবে সরকারি স্কিম হতে পারে অন্যতম বিকল্প। তবে কোন কেন্দ্রীয় সরকারের স্কিমে বিনিয়োগ করবেন, কখন করবেন, কত টাকা করবেন এবং কি পদ্ধতিতে করবেন? এই সকল প্রশ্নের উত্তর পাবেন এই লিংকে ক্লিক করলেই:
https://creator.tagmango.app/bwi-courses
তবে আর দেরি কেনো এখনো বাড়িতে বসে জানুন সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট স্কিমের জন্যে অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতিতে থেকে বিনিয়োগ কৌশল, তাও সহজ এবং বাংলা ভাষায়।




