Article By – সুনন্দা সেন

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারতের IPO পাইপলাইনে মোট প্রস্তাবিত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪.২৭ লক্ষ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পাঁচটি সম্ভাব্য ইস্যু হল জিও প্ল্যাটফর্ম (Jio Platforms)- এর ৩৫,০০০ কোটি টাকা, ফোনপে (PhonePe)-এর ১২,০০০ কোটি টাকা, মহানদী কয়লাক্ষেত্র (Mahanadi Coalfields)- এর ১০,০০০ কোটি টাকা, আভাদা ইলেক্ট্রো (Avaada Electro)- এর ৭,৬০০ কোটি টাকা এবং OYO-র মূল সংস্থা ওরাভেল স্টে (Oravel Stays)- এর ৬,৬৫০ কোটি টাকা।
জিও প্ল্যাটফর্ম, আভাদা ইলেক্ট্রো এবং ওরাভেল স্টে ইতিমধ্যেই সেবি (SEBI)- এর অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে ফোনপে ও মহানাদী কোলফিল্ডের প্রস্তাব এখনও নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে সেবির অনুমোদন পেলেই সঙ্গে সঙ্গে IPO বাজারে আসবে এমন নয়; সংস্থাগুলির IPO আসার সময় (launch timing) এবং চূড়ান্ত ইস্যু সাইজ (issue size) পরিবর্তিত হতে পারে। NSE- এর ২২,৫৬১.৫৭ কোটি টাকার IPO প্রায় ৫.৭১ গুণ সাবস্ক্রাইবড হয়েছে এবং প্রায় ৯০,০০০ কোটি টাকার চাহিদা এসেছে।
NSE- এর শেয়ার ২৪ সেপ্টেম্বর BSE-তে তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রস্তাবিত সময়সূচি রয়েছে। এই শক্তিশালী চাহিদার পর Jio Platforms, PhonePe-সহ পরবর্তী বড় IPO-গুলির দিকে বাজারের নজর থাকা স্বাভাবিক। আর ভারতের প্রাইমারি মার্কেটে অর্থ সংগ্রহের গতি এখনও শক্তিশালী এবং অভ্যন্তরীণ তারল্য (domestic liquidity) বড় বড় IPO শোষণ করতে সাহায্য করছে। তবে বড় ইস্যু সাইজ বা IPO-কে ঘিরে বেশি আগ্রহ মানেই ভালো বিনিয়োগ রিটার্নের নিশ্চয়তার ইঙ্গিত নয়, মূল্যায়ন, ব্যবসার মৌলিক বিষয় (valuation, business fundamentals) এবং IPO- এর চূড়ান্ত শর্ত আলাদাভাবে দেখা জরুরি।




