Article By – সুনন্দা সেন

বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপোর দামে ফের বড়সড় উত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মোনার্চ PMS (Portfolio Management Services)-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বুল কেসে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৫,০০০ থেকে ৫,৬০০ ডলার এবং রুপোর দাম ৯৫ থেকে ১২০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। তবে এই বুল কেসের সম্ভাবনা তারা মাত্র ২৫% ধরে দেখেছে। অন্যদিকে, সংস্থাটির বিয়ারিস কেসে সোনার দাম ৪,৩০০–৪,৭০০ ডলার এবং রুপোর দাম ৭০–৮৫ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। এই পরিস্থিতির সম্ভাবনা ৫৫% বলে অনুমান করা হয়েছে।
এই বুল কেস বাস্তবায়িত হতে হলে মার্কিন শ্রমবাজার দুর্বল হওয়া এবং তার জেরে ফেডারেল রিজার্ভ (Federal Reserve)-এর সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সুদের হার কমলে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের প্রকৃত রিটার্ন বা রিয়েল ইয়ল্ড কমতে পারে, যা সোনা ও রুপোর মতো সুদবিহীন সম্পদের আকর্ষণ বাড়াতে পারে। আর সোনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলির কেনাকাটাও গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন প্রদান করছে। অন্যদিকে, রুপোর বাজারে সরবরাহ ঘাটতি বড় ভূমিকা নিতে পারে।
মোনার্চের হিসাব অনুযায়ী, রুপোর বাজারে টানা ষষ্ঠ বছরের মতো ঘাটতি তৈরি হতে পারে এবং ২০২১ সাল থেকে প্রায় ৭৬২ মিলিয়ন আউন্স মজুত বাজার থেকে বেরিয়ে গেছে। তবে এখনো ঝুঁকি রয়ে গেছে। যদি মার্কিন ফেড সেপ্টেম্বরেই সুদের হার বাড়ায় এবং রিয়েল ইয়ল্ড আরও বেড়ে যায়, তাহলে সোনা-রুপোর দামে চাপ আসতে পারে। সেই বিয়ারিস মামলায় (bear case)-এ সোনা ৩,৪০০–৩,৯০০ ডলার এবং রুপো ৪৫–৫৫ ডলারে নেমে যেতে পারে বলে মোনার্চ অনুমান করেছে। অর্থাৎ, সোনা ৫,৬০০ ডলার এবং রুপো ১২০ ডলার; একটি নিশ্চিত পূর্বাভাস নয়, বরং অত্যন্ত বুলিশ পরিস্থিতির সম্ভাব্য লক্ষ্য।




