Article By – সুনন্দা সেন

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া বা সেবি (SEBI) বিদেশী পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারী (FPI)-দের জন্য ডিসক্লোজের নিয়ম সহজ করেছে। যার ফলে ভারতীয় ইক্যুইটি স্বল্পমেয়াদে উচ্চতর অস্থিরতা (Volatility) দেখতে পারে। ২৪ মার্চ, ২০২৫ সেবি গ্রানুলার বেনিফিটিয়াল ওনারশিপ বা BO ডিসক্লোজারের সীমা ২৫,০০০ কোটি টাকা থেকে দ্বিগুণ করে ৫০,০০০ কোটি টাকা করেছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের ফলে অংশগ্রহণমূলক নোট (P-Note) ইস্যু পুনরুজ্জীবিত হবে এবং নতুন অফশোর ক্যাপিটাল আকর্ষন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য অস্থিরতা নিয়েও উদ্বেগও বৃদ্ধি পাবে।
বাজারের অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন যে এই সিদ্ধান্ত ভারতকে অফশোর ফান্ড থেকে ক্যাপিটাল (মূলধন) আকর্ষন করতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে যাদের বর্তমানে দেশে সীমিত এক্সপোজার রয়েছে। এটি বেশি সংখ্যক লেনদেন সহজতর করে বাজারের লিক্যুইডিটি বৃদ্ধি করবে বলেও আশা করা হচ্ছে। তবে কিছু বিশ্লেষক সতর্কতার সাথে বলেছেন যে পি-নোটের কার্যকলাপ বৃদ্ধির ফলে আরও বেশি অনুমানমূলক (Speculative) লেনদেন হতে পারে। যা বাজারের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
আগস্ট, ২০২৩-এ ভারতের মোট FPI অ্যাসেটের ২.২৮% ছিল পি-নোট। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই সংখ্যা কমে ১.৮৬%-এ দাঁড়িয়েছে। সেবি সর্বশেষ শিথিলকরণের ফলে ২৫,০০০ টাকার ডিসক্লোজারের সীমা বর্তমানে ৫০,০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। তবে একটি একক কর্পোরেট গ্রুপে ৫০%-এর বেশি পোর্টফোলিও থাকা FPI-দের জন্য প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা অপরিবর্তিত রেখেছে। কমপক্ষে দুটি শীর্ষস্থানীয় ইউরোপীয় ব্যাংক এবং একটি মার্কিন-ভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী তাদের ভারতীয় পোর্টফোলিও ২৫,০০০ কোটি টাকার নিচে রাখতে এবং নতুন পি-নোট ক্লায়েন্টদের অন্তর্ভুক্তি বন্ধ করার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।




