Article By – সুনন্দা সেন

আজকেও শেয়ারবাজারের শুরু লেনদেনে কিছুটা চাপের মধ্যে ছিল। ভারতের প্রধান সূচক BSE সেনসেক্স সকালে বড় পতন লক্ষ্য করা যায় এবং একসময় ১০০০ পয়েন্টেরও বেশি নেমে যায়। তবে দিনের মধ্যভাগে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রায় ৫০০ পয়েন্টের পুনরুদ্ধার দেখা যায়। তবুও শেষ পর্যন্ত সূচক প্রায় ০.৯% নীচেই রয়ে যায়, যা বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের মূল কারণ আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে।
ভারত যেহেতু তেলের বড় আমদানিকারক, তাই এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে দেশের অর্থনীতিতে এবং শেয়ারবাজারে। তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা থাকে, ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। এছাড়াও বিদেশী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বা FII-এর ধারাবাহিকভাবে ভারতীয় বাজার থেকে অর্থ রিডিম করে নিয়েছে। এর ফলে বাজারে বিক্রির চাপ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে দুর্বল রুপিও বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাসে আঘাত করছে।
তবে এই নেতিবাচক পরিবেশের মধ্যেও দিনের দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা স্বস্তি দেখা যায়। বাজার পতনের পর অনেক বিনিয়োগকারী কম দামে শেয়ার কেনার সুযোগ হিসেবে দেখেন, যাকে ‘বাই দ্য ডিপ’ বলা হয়। এই কারণে কিছুটা ক্রয়চাপ তৈরি হয় এবং সূচক ঘুরে দাড়ায়। এর পাশাপাশি যারা আগে থেকে বাজার পড়বে বলে শর্ট পজিশন নিয়েছিলেন, তারা লাভবুক করতে গিয়ে শেয়ার কিনতে শুরু করেন, এই ‘শর্ট কভারিং’ -এর ফলেও বাজারে সাময়িক উত্থান দেখা যায়।




