Article By – সুনন্দা সেন

২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতির অবদান মোট অর্থনীতির এক-পঞ্চমাংশ হবে। সরকার জানিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতি, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে অবদান রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যা ঐতিহ্যবাহী খাতের প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে যাবে। গত দশকে, ডিজিটালি-সক্ষম ইন্ডাস্ট্রিগুলি ১৭.৩% হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যা সমগ্রিক ভাবে অর্থনীতির ১১.৮% প্রবৃদ্ধির হারের উল্লেখযোগ্য ভাবে বেশি। বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির দ্রুত সম্প্রসারণ ধারণাটিকে আরও পক্ত করছে। আগামী বছরগুলিতে প্রায় ৩০% প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশিত হার রয়েছে।
ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতি প্রতিবেদন ২০২৪ অনুসারে, ২০২২-২৩ সালে ডিজিটাল অর্থনীতির সাথে ১৪.৬৭ মিলিয়ন কর্মী যুক্ত ছিল। যা ভারতের কর্মশক্তির ২.৫৫%। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে কর্মীবাহিনী মূলত পুরুষ প্রধান। তবে সম্প্রতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি মহিলাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে। বিশেষ করে সেই সব ক্ষেত্রে, যেখানে গতিশীলতা এবং নিরাপত্তার উদ্বেগ আগে বাধা ছিল। প্রতিবেদন অনুসারে, অর্থনীতি-ব্যাপী ডিজিটালাইজেশনের দিক থেকে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ডিজিটালাইজেশকৃত দেশ।
ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতি তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদানকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা ২০২২-২৩ সালে GDP- এর ১১.৭৪% (৩১.৬৪ লক্ষ কোটি টাকা বা ৪০২ বিলিয়ন ডলার) অবদান রাখে। অনুমানগুলি ইঙ্গিত দেয় যে ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে ডিজিটাল অর্থনীতির অংশ মোট মূল্য সংযোজনের (GVA) ২০%- এ উন্নীত হবে। যা কৃষি ও উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাবে। মূল প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিগুলির মধ্যে রয়েছে এআই, ক্লাউড পরিষেবাগুলির দ্রুত গ্রহণ এবং বিশ্বব্যাপী সক্ষমতা কেন্দ্রগুলির (GCC) উত্থান, যেখানে ভারত বিশ্বের ৫৫% GCC হোস্ট করে।




