buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Credit Card

সদ্য ক্রেডিট কার্ড নিয়েছেন? কার্ডের বিষয়ে খুঁটিনাটি জানুন

নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কঠিন মনে হতে পারে। তবে ক্রেডিট কার্ডের বিষয়ে কিছু তথ্য যেমন– কীভাবে কাজ করে ক্রেডিট কার্ড, মূল কিছু টার্ম, transaction কীভাবে হয় ইত্যাদি জানলে এর ব্যবহার সহজ হবে এবং সময়মতো বিল পেমেন্টেও সমস্যা দেখা দেবে না।

6

ক্রেডিট কার্ড কী?

ক্রেডিট কার্ড হল ধার বা ঋণ নেওয়ার একটি উপায় যার ধারের সীমা, বা credit limit আগে থেকেই নিশ্চিত থাকে। ব্যাংক বা নন ব্যাংকিং সংস্থা ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা প্রদান করে। আপনি ক্রেডিট কার্ডের ক্রেডিট সীমা পর্যন্তই ধার করতে পারবেন, যেটা আপনাকে ডিউ ডেটের আগে পে করতে হবে অথবা EMI বা installment-এর মাধ্যমে ফেরত দেওয়া যেতে পারে। 

ক্রেডিট কার্ডের সঙ্গে বেশ কয়েকটি টার্ম যুক্ত রয়েছে। এবার সেই বিশেষ টার্মগুলো সম্পর্কে জানার পালা।

  • ক্রেডিট লিমিট : একটি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে সর্বাধিক যত পরিমাণ অর্থ আপনি ঋণ নিতে পারেন। যেমন, কোনো ক্রেডিট কার্ডের লিমিট যদি ৩০০০০ টাকা হয় প্রতি মাসে, তাহলে তার অর্থ হল প্রতি মাসে আপনি সেই কার্ড ব্যবহার করে সর্বাধিক ৩০০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ বা ধার পেতে পারেন।
  • Billing cycle : একটি ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট ও তার পরের স্টেটমেন্টের মাঝের সময়টিকে billing cycle হবে।
  • Minimum pay : Minimum payment হল সেই অ্যামাউন্টটি,‌ অন্তত যেই পরিমাণ টাকা আপনাকে অবশ্যই পে করতে হবে, যদি আপনি পুরো অ্যামাউন্ট না পে করতে পারেন।
  • ইন্টারেস্ট : আপনার ক্রেডিট কার্ডে কোনো বিল বাকি থাকলে তার ওপর যে পরিমাণ চার্জ করা হয়, তাকে ইন্টারেস্ট বলে।
  • অ্যানুয়াল ফি : কার্ড যে ব্যাংক ইস্যু করেছে তারা বছরে একটি চার্জ ধার্য করতে পারে যাকে annual fee বলা হয়। এটি বাধ্যতামূলক নয়। কোনো সংস্থা এই চার্জ একেবারেই নেয় নাজ আবার কোনো সংস্থা প্রথম বছর মুকুব করে। 
  • ক্রেডিট স্কোর : ক্রেডিট স্কোর হল তিন অংকের একটি সংখ্যা যেটি ৯০০ পর্যন্ত হতে পারে। আপনার ক্রেডিট স্কোর ৭০০-র ওপরে থাকলে আপনি সহজেই নতুন ক্রেডিট কার্ড পেতে পারেন, যেখানে বেশি ক্রেডিট লিমিটের সুবিধাও মিলবে।
10

ক্রেডিট কার্ডের নির্দিষ্ট পরিমাণ ধার বা বাকি যদি due date-এর আগে পরিশোধ না করা যায়, তাহলে ব্যাংক unpaid amount-এর ওপর ইন্টারেস্ট চার্জ করে।

কীভাবে প্রসেস হয় লেনদেন?

  • যখন কোনো কিছু ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনা হয়, মার্চেন্ট বা দোকানদার payment gateway-র মাধ্যমে transaction detail পাঠায়।
  • এই transaction detail কার্ড ইস্যুয়ার ব্যাংকের কাছে পরবর্তী প্রসেসিং-এর জন্য পাঠানো হয়। ব্যাংক আপনার credit limit ও অন্যান্য বিষয় যাচাই করার পর transaction-টি অ্যাপ্রুভ অথবা ডিক্লাইন করে।
  • যদি পেমেন্ট অ্যাপ্রুভ হয় তাহলে মার্চেন্ট পেমেন্টটি পান এবং কার্ডহোল্ডারের টাকা বিলিং সাইকেলে যোগ হয়ে যায়।

ক্রেডিট কার্ডে অনলাইন ও অফলাইনে transaction-এর পদ্ধতি

যখন আপনি কোনো POS অর্থাৎ পয়েন্ট অফ সেল মেশিনে কার্ড swipe করেন সেইসময় আপনাকে PIN প্রদান করতে হয়। তারপর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেখা হয় কার্ডে আপনার যথেষ্ট ব্যালেন্স রয়েছে কিনা এবং সেই অনুযায়ী transaction অনুমোদন বা বাতিল হয়ে যায়। অ্যাপ্রুভ বা অনুমোদন হলে মার্চেন্ট একটি রিসিট পান এবং সেটি নিজের ব্যাংকে জমা করেন পেমেন্ট প্রসেস করার জন্য তারপর acquirer bank অর্থাৎ যেখানে পেমেন্ট হবে, সেই ব্যাংক ইস্যুয়ার ব্যাংককে এই লেনদেন সম্পন্ন করার অনুরোধ করে। কোনো প্রযোজ্য ফি থাকলে তা কেটে ইস্যুয়ার ব্যাংক transactionটি সম্পূর্ণ করে এবং মার্চেন্ট নিজের ব্যাংক থেকে টাকা পেয়ে যান।

এ তো গেল যখন আপনি সরাসরি কার্ড সোয়াইপের মাধ্যমে লেনদেন করছেন সেই বিষয়টি। এবার দেখে নিই অনলাইনে যখন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কোনো transaction করা হয় তখন সেটি কীভাবে হয়–

অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে ক্রেডিট কার্ড পেমেন্ট অপশন বাছতে হয়। আপনি যখন ‘pay’-তে ক্লিক করেন তখন ইস্যুয়ার ব্যাংক আপনার তথ্যগুলি পেয়ে যায়। তারপর একটি OTP বা one time password দেওয়া হয় যাচাইকরণের জন্য। OTP যাচাইয়ের পর ব্যাংক ওই লেনদেনটি প্রসেস করে।

শেষে বলা যায়। ক্রেডিট কার্ড কীভাবে কাজ করে বা কার্ডের গুরুত্বপূর্ণ টার্মগুলি জানলে আপনার পক্ষে সঠিক কার্ড বাছা সহজ হবে এবং আপনি ঠিক সময়ে নিজের কার্ডের বিল জমা করতেও পারবেন।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading