অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ব্যালেন্স রাখলে গ্রাহকদের কাছ থেকে জরিমানা নিয়ে থাকে ব্যাঙ্কগুলি। গত পাঁচ বছরে ন্যূনতম ব্যালেন্স পেনাল্টি থেকে 8,500 কোটি টাকা আয় করেছে দেশের সরকারি ব্যাঙ্কগুলি। 2020 অর্থবর্ষ থেকেই ন্যূনতম ব্যালেন্স পেনাল্টি চার্জ করা বন্ধ করে দিয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ সরকারি ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।
কিন্তু তা সত্ত্বেও গত পাঁচ বছরে সরকারি ব্যাঙ্কগুলির ন্যূনতম ব্যালেন্স পেনাল্টির পরিমাণ বেড়েছে প্রায় 38 শতাংশ। লোকসভায় এই তথ্যই দিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী। 2020 থেকে 2024 অর্থবর্ষে ন্যূনতম ব্যালেন্স পেনাল্টি হিসাবে 8,500 কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কগুলি।
তথ্য অনুযায়ী, 11 টি সরকারি ব্যাঙ্কের মধ্যে ছয়টি ন্যূনতম ত্রৈমাসিক গড় ব্যালেন্স বজায় না রাখার জন্য পুনরুদ্ধার করেছে এবং চারটি ব্যাঙ্ক ন্যূনতম গড় মাসিক ব্যালেন্স বজায় না রাখার জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে জরিমানা করা হয়েছে। গ্রাহকদের জন্য ন্যূনতম ব্যালেন্স সীমা শহর এবং গ্রামে ভিন্ন।
পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক শহরের গ্রাহকদের জন্য একটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ত্রৈমাসিক গড় ব্যালেন্স হল 2,000 টাকা৷ এক্ষেত্রে শহরের জন্য 1000 টাকা এবং গ্রামের জন্য 500 টাকা। ন্যূনতম ব্যালেন্স না থাকলে, শহরের গ্রাহকদের থেকে 250 টাকা, টাউনের গ্রাহকদের থেকে 150 টাকা এবং গ্রামের গ্রাহকদের থেকে 100 টাকা পর্যন্ত কাটা হয়।
পঙ্কজ চৌধুরী লোকসভায় আরোও জানান, অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ব্যাঙ্কগুলির উচিত গ্রাহকদের সর্বনিম্ন ব্যালেন্স সম্পর্কে অবহিত করা। ন্যূনতম ব্যালেন্স বজায় না রাখলে জরিমানার বিষয়ে ব্যাঙ্কগুলিকে গ্রাহকদের জানাতে হবে। 2019-20 সালে ন্যূনতম ব্যালেন্স পেনাল্টি থেকে 640 কোটি টাকা আয় করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। কিন্তু তারপর এই নিয়ম বন্ধ করে দেয় ব্যাঙ্ক।
2023-24 সালে, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক গ্রাহকদের থেকে জরিমানা নিয়ে 633 কোটি টাকা আয় করেছে। অন্যদিকে ব্যাঙ্ক অফ বরোদা 387 কোটি টাকা, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক 369 কোটি টাকা, কানারা ব্যাঙ্ক 284 কোটি টাকা এবং ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া 194 কোটি টাকা আয় করেছে বলে জানা গিয়েছে।
Article By – আস্তিক ঘোষ






