Article By – সুনন্দা সেন

আজকে (১৭ এপ্রিল, ২০২৬) রুপি লেনদেন ইতিবাচক প্রবণতার সাথে সূচনা হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপি ২৫ পয়সার শক্তিশালী বৃদ্ধির পর লেনদেন শুরু করে ৯২.৯৫-এ। এই উত্থানের মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া বা RBI-এর সাম্প্রতিক পদক্ষেপ। রিজার্ভ ব্যাংক তেল বিপণন সংস্থাগুলির জন্য একটি বিশেষ ডলার উইন্ডো চালু করেছে। এর ফলে বড় তেল আমদানিকারী সংস্থাগুলি সরাসরি বাজার থেকে ডলার কেনার বদলে এই বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে ডলার সংগ্রহ করতে পারবে। এর ফলে বাজারে ডলারের ওপর চাপ কিছুটা কমেছে এবং রুপির ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত তেল সংস্থাগুলি বিপুল পরিমাণে ডলার কেনে, কারণ ভারত তার অধিকাংশ ক্রুড অয়েল আমদানি করে। এই অতিরিক্ত ডলার চাহিদা রুপির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু RBI-এর এই উদ্যোগ বাজারে ডলারের চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করছে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারেও কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে। ক্রুড অয়েলের দাম সামান্য কমায় আমদানি খরচের চাপ কমেছে, যা রুপির জন্য ইতিবাচক সংকেত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত তেল সংস্থাগুলি বিপুল পরিমাণে ডলার কেনে, কারণ ভারত তার অধিকাংশ ক্রুড অয়েল আমদানি করে। এই অতিরিক্ত ডলার চাহিদা রুপির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু RBI-এর এই উদ্যোগ বাজারে ডলারের চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করছে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারেও কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে। ক্রুড অয়েলের দাম সামান্য কমায় আমদানি খরচের চাপ কমেছে, যা রুপির জন্য ইতিবাচক সংকেত। তবে বাজার বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন যে, এই শক্তিশালী সূচনা সত্ত্বেও ভবিষ্যতে রুপির গতিপথ নির্ভর করবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মার্কিন ফেডের সুদের হার নীতি এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ওপর।




