Article By – সুনন্দা সেন

RBI (Reserve Bank of India) – এর সেস্ট অফ দ্যা ইকোনমি রিপোর্ট অনুসারে, দেশের ক্রমবর্ধমান আয়ের পেছনে গ্রামীণ অর্থনীতি রয়েছে। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক মোট চাদিহার এক বিরাট অংশ পূরণ হচ্ছে বেসরকারি খাতের অবদানে। দেশের চাহিদা বৃদ্ধিতে গ্রামীণ এবং বেসরকারি খাতের আয় গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ভূ – রাজনৈতিক উত্তেজনা, মূল অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা বিভিন্নমুখী মুদ্রানীতি দ্বারা চালিত আর্থিক বাজারের অস্থিরতা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভনাতে বাধা সৃষ্টি করছে।
আশঙ্কার পাশাপশি RBI দ্বারা প্রকাশিত প্রতিবেদন আরও জানিয়েছে যে এই সকল চ্যালেঞ্জের পরেও ভারতের মুদ্রাস্ফীতি পরিমিত বা অনুমানের সমান হয়েছে। জুন মাসের তুলনায় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ভারতের মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পেয়ে ৩.৫% এ পরিমিত হয়েছে। পাশাপাশি মূলধন ব্যয়ের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক রয়েছে। চাহিদা পূরণের জন্য ভারত সরকার বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছিল। ২০২৪-২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে সোহায়ককৃত এবং অনুমোদিত প্রকল্পগুলির মোট ব্যয় ছিল ১,০১, ৪৪৩ কোটি টাকা। যা তার আগের অর্থবছরের ত্রৈমাসিক গড় ৯৭,৭৪৫ কোটি টাকার বেশি।
ভারত সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে ক্রমাগত বিদেশী শক্তিকে পেছনে ঠেলে এগিয়ে চলেছে।
বর্তমানে ভারত পঞ্চম অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ভারতের GDP growth তুলনামূলক ভাবে আর কিছু সময় পরে জাপানকে পেছনে ফেলে দেবে বলেই মনে করছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল। আর এই প্রবৃদ্ধির পেছনে রয়েছে গ্রামীণ শক্তি এবং বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি।





