Article By – সুনন্দা সেন

১ আগস্ট অর্থাৎ আজ আদানি পাওয়ার ৩০ জুন, ২০২৫-এ শেষ হওয়া প্রান্তিকের ফলাফল প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে এটির একীভূত (Consolidated) নেট মুনাফা ১৩.৫% কমে ৩,৩৮৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। যা আগের অর্থবছরের একই সময় ৩,৯১৩ কোটি টাকা ছিল। আদানি গ্রুপের এই প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত রাজস্ব ৬% কমে ১৪,১০৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। যা গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ছিল ১৪,৯৫৬ কোটি টাকা। এছাড়া আদানি পাওয়ারের বোর্ড ১০ টাকার ফেস ভ্যালুতে ১টি ইক্যুটি শেয়ারকে ২টাকা ফেস ভেল্যুতে ৫টি ইক্যুটি শেয়ারে অর্থাৎ ১:৫ অনুপাতে বিভক্ত করার জন্য অনুমোদন দিয়েছে।
প্রথম প্রান্তিকের এই ফলাফল প্রকাশের পর আজ দুপুর ১টা নাগাদ আদানি পাওয়ারের শেয়ারের দাম ২.৮% মে ৫৭২.৬৫ টাকায় লেনদেন করেছে। এছাড়া আদানি পাওয়ার স্টক এক্সচেঞ্জের একটি ফাইলিংয়ে জানিয়েছে, উচ্চতর মার্চেন্ট ট্যারিফ (শুল্ক) এবং কম জ্বালানি খরচের পাশাপাশি পরিচালনা ব্যয়ের কারণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের জন্য একত্রিত অব্যাহত EBITDA গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২.৭% বেশি ছিল। আদানি পাওয়ার জানিয়েছে, ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে তাপপ্রবাহের কারণে চাহিদা বৃদ্ধির তুলনায় বৃষ্টির আগাম আগমনে বিদ্যুৎ চাহিদা প্রভাবিত হয়েছে। এর ফলে প্রথম প্রান্তিকে সারা দেশের জ্বালানি চাহিদা ১.৬% কমে ৪৪৫.২ BU- তে দাঁড়িয়েছে।
আদানি পাওয়ার লিমিটেডের CEO SB Khyalia (এস বি খিয়ালিয়া) বলেন, বিদ্যুতের চাহিদার পরিবর্তনশীলতা এবং অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার মধ্যেও এই ত্রৈমাসিকে আদানি পাওয়ারে স্থিতিশীল আর্থিক পারফর্ম্যান্স দেখা গেছে। যা তার স্থিতিস্থাপকতা এবং কোর স্ট্রেত্থকে প্রমান করে। এছাড়া আদানি পাওয়ার দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং কৌশলগত অধিগ্রহণের মাধ্যমে কোম্পানির ক্ষমতা বৃদ্ধি করে চলেছে। যা নিশ্চিত করে যে প্রতিষ্ঠানটি ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ গিগাওয়াট পাওয়ার প্রবৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত।




