buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business

সেনসেক্স ৮৭০ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে এবং নিফটির পতনও লক্ষ্যনীয়! আজ শেয়ারবাজারের বড় পতনের কারণ কী কী?

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

পুরো সপ্তাহে ভারতীয় শেয়ারবাজারে তীব্র পতন লক্ষ্য করা হচ্ছে। আজও (২৪ জুলাই) শেয়ার বাজারে একই পতন দেখা গেছে। একসময় সেনসেক্স প্রায় ৮৭০ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে এবং নিফটি ২৩,৬৫০-এর কাছাকাছি নেমে আসে। এমনকি বাজার লেনদেনের শেষ পর্যায়ে BSE সূচক সেনসেক্স ০.৪৩% কমে ৭৬,০৫৯.৭৭-এ এবং নিফটি৫০ ১০২.১৫ পয়েন্ট কমে ২৩,৭৬৯-এ লেনদেন শেষ করেছে। আর এই পতনের পেছনে একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কারণ করছে। আর সেই সকল কারণগুলির মধ্যে অন্যতম হলো–

9
  • মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সংকট:  ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনার বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দিয়েছে। 
  • অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে:  পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ায় ব্রেন্ট ক্রড ১০০ ডলার প্রতি ব্যারেলের ওপরে উঠে গেছে। ভারত তার প্রয়োজনীয় তেলের বড় অংশ আমদানি করে, ফলে তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করছেন।
  • দুর্বল বৈশ্বিক বাজার ও হতাশাজনক কর্পোরেট ফলাফল:  ওয়াল স্ট্রিটে প্রযুক্তি শেয়ারের পতন এবং ইনফোসিস ও ইন্ডিগোর মতো কয়েকটি বড় কোম্পানির প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ত্রৈমাসিক ফলাফলও বাজারের মনোভাবকে নেতিবাচক করেছে।
  • রুপির ওপর চাপ:  অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার ফলে ডলারের চাহিদা বেড়েছে, যার ফলে রুপির ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। যদিও RBI হস্তক্ষেপ করেছে, তবুও বাজারে উদ্বেগ রয়ে গেছে। 
  • বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিক্রি (FII Selling):  রুপির দুর্বলতা এবং বাড়তি অনিশ্চয়তার কারণে বিদেশী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বা FII আবার ভারতীয় শেয়ার বিক্রি শুরু করেছে।
  • মার্কিন বন্ড ইয়ল্ড বৃদ্ধি:  মার্কিন ১০ বছরের ট্রেজারি ইয়িল্ড ৪.৭%-এর কাছাকাছি পৌঁছেছে। এতে নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়ছে এবং ইক্যুইটি বাজারে চাপ তৈরী হচ্ছে। 

এই পতন দেখাচ্ছে যে আন্তর্জাতিক মহলে তেলের দাম, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত এবং বৈশ্বিক সুদের হার ভারতের শেয়ারবাজারকে কতটা প্রভাবিত করতে পারে। যদি তেলের দাম দীর্ঘ সময় ১০০ ডলারের উপরে থাকে, সেক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি, আমদানি ব্যয়, রুপির ওপর চাপ এবং কর্পোরেট মুনাফা সহ সবকিছুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যার ফলে আগামী কয়েকটি ট্রেডিং সেশনেও বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading