চলতি সপ্তাহে শেয়ার বিক্রি করে 600 মিলিয়ন ডলারের বেশি সংগ্রহ করতে চলেছে বিজনেস টাইকুন গৌতম আদানির কোম্পানি আদানি এনার্জি সলিউশন। এই শেয়ার বিক্রয় অনেক দিক থেকেই বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে 2.5 বিলিয়ন ডলারের শেয়ার বিক্রি বাতিল করেছিল আদানি গ্রুপ। এরপর এটাই হবে ইক্যুইটি বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহের আদানি গ্রুপের প্রথম প্রচেষ্টা।
হিন্ডেনবার্গ স্টক ম্যানিপুলেশন এবং ট্যাক্স হ্যাভেনের অনুপযুক্ত ব্যবহারের অভিযোগ আনে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। ফলস্বরূপ কিছুটা হলেও বেকায়দায় পড়তে হয় আদানির সংস্থাকে। যদিও হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ অস্বীকার করেছে আদানি গ্রুপ। কিন্তু 2023 সালের শেষের দিকে পুনরুদ্ধারের আগে কোম্পানির শেয়ারের মোট মূল্য 100 বিলিয়ন ডলারেরও বেশি কমে গিয়েছে আদানি গ্রুপের।
কোয়ালিফাইড ইনস্টিটিউশনাল প্লেসমেন্টের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে পাওয়ার ট্রান্সমিশন ইউনিট আদানি এনার্জি সলিউশনস। QIP হল একটি পদ্ধতি, যা তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলির সহযোগিতায় বড় প্রতিষ্ঠান থেকে তহবিল সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে কেউ কেউ দাবি করছেন যে, এখনও পর্যন্ত ভারতে বিনিয়োগ করেননি এমন তিনজন বিদেশী বিনিয়োগকারী এই অফারে অর্থ বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত হয়েছেন। তবে এর বেশি কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
2023 সালের জানুয়ারিতে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের পর থেকে, আদানি গ্রুপ কোম্পানিগুলি তালিকাভুক্ত রুপি বন্ড এবং ডলার বন্ডের মাধ্যমে 670 মিলিয়ন ডলারের বেশি সংগ্রহ করেছে। আদানি এনার্জির শেয়ার বিক্রি হল 125 বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত তহবিল সংগ্রহের অংশ। এটি মে মাসে অনুমোদিত হয়েছিল। গ্রুপের অন্য কোম্পানিগুলোও বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহের জন্য বোর্ডের অনুমোদন নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
Article By – আস্তিক ঘোষ






