Article By – সুনন্দা সেন

ব্রিটানিয়া ইন্ডাস্ট্রিজ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মূল উপাদান সুগার, পাম অয়েল এবং কোকো পাউডারের দাম বৃদ্ধির কারণে নিজের পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। কোম্পানিটি তাদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ৩% নিট মুনাফা বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে। যেখানে FMCG- সেক্টরের বৃহৎ এই কোম্পানির আয় একই সময় ৮.৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। সদ্য প্রকাশিত একটি এক্সচেঞ্জ ফাইলিং অনুসারে, বিস্কুট, কেক প্রস্তুতকারক কোম্পানিটি ৫২০.৭২ কোটি টাকার সমন্বিত আয়ের পরিমাণ রিপোর্ট করেছে। যা ব্লুমবার্গ বিশেষজ্ঞদের অনুমানিত ৫৬৮.৯৫ কোটি টাকা আয়ের তুলনায় কম। কোম্পানির ব্রেড সেগমেন্টের বৃদ্ধিও মার্জিন ভালো থাকলেও, কেক সেগমেন্টটি খুব একটা ভালো ফল দেখেনি। ওই সেগমেন্টের বৃদ্ধি একক অঙ্কের ছিল।
কোম্পানি জানিয়েছে, কেকের মূল উপাদানের দাম বৃদ্ধিতে তারা ১০ টাকার কেকের প্যাকেট ১৫ টাকা করার প্রচেষ্টা করছিল। যার জন্য একটি নির্দিষ্ট মূল্যের ক্ষতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া UPI এবং ডিজিটাল পেমেন্টের সাথে কোম্পানিটি মূল্য পয়েন্টগুলি আজকের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয় বলে জানানলেও, তা যে গুরুত্বপূর্ণ সেটিও স্বীকার করেছে। আর কোম্পানি সেই কৌশলটি পুনঃমূল্যায়ন করছে। আর সেগুলি লক্ষ্য করলে সম্বন্বিত ব্যবসায়িক বৃদ্ধি সাথে মার্জিন এবং কেকের ব্যবসাতেও বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। কোম্পানিটি উল্লেখ করেছে যে তাদের কেক সেগমেন্টের পুনঃলঞ্চে তাদের খুব ভালো সাড়া পেয়েছে। ব্রাউনির মতো কেকের কিছু বিভাগ সত্যিই ভালো করেছে।
ব্রিটানিয়া ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান CEO বরুণ বেরি বলেন, সামগ্রিকভাবে আমরা আমাদের মুদ্রাস্ফীতির বেশিরভাগ অংশই মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে কাটিয়েছি। আমরা সেই কাজটি সম্পন্ন করেছি এবং আমরা আজ এটিকে স্থিতিশীল উপায়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি ভাল অবস্থানে আছি। বেরির মতে, কোম্পানিটি তাদের জন্য একটি যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে যাতে তারা নির্দিষ্ট অঞ্চলে, নির্দিষ্ট রাজ্যে, নির্দিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে ব্যয় করতে পারে। ব্রিটানিয়ার প্রধান উৎপাদন ও সংগ্রহ কর্মকর্তা মনোজ বালগি বলেন, “পণ্যের চাহিদা-সরবরাহের মৌলিক গঠন বিবেচনা করা হয়েছে এবং সেই কারণেই আমরা মনে করি পণ্যের ক্ষেত্রে দামের পূর্বাভাস বেশ স্থিতিশীল থাকা উচিত।”




