Article By – সুনন্দা সেন

১ জানুয়ারি, ২০২৫-এর একটি প্রেস কনফারেন্সে কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেন, ভারত সরকার, ইন্দোনেশিয়ার সাথে ১০ লক্ষ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সাদা চাল বা হোয়াইট রাইস রপ্তানি করার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই পদক্ষেপ কৃষকদের তাদের পণ্যের জন্য আরও ভাল হার বা মূল্য পেতে সহায়তা করবে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে অভ্যন্তরীণ বাজারে হোয়াইট রাইসের দাম স্থিতিশীল করার জন্য কেন্দ্র সরকার নন-বাসমতি সাদা চালের রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। অবশ্য বহির্গামী চালান নিয়ন্ত্রণের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
এছাড়া ভারত বিশ্বের বৃহত্তম চাল রপ্তানিকারক এবং বাজারের গোডাউনে চালের পর্যাপ্ত বাফার স্টক থাকে। যা রিটেল প্রাইস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভারত ২০২৩-২৪ সালে ৮৫২.৫২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের নন-বাসমতি সাদা চাল রপ্তানি করেছে। এছাড়া অতীতে ভারত নন-বাসমতি চাল ১৪০টিরও বেশী দেশে রপ্তানি করত। আর প্রধান আমদানিকারকদের মধ্যে আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী চাল রপ্তানির ৪০%-এর বেশি ছিল ভারতের। মোট ২২.২ মিলিয়ন মেট্রিক টন চাল রপ্তানি করেছিল দেশটি।
কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং বছরের প্রথম দিন বলেছেন যে ভারতের কৃষি ও সহযোগী খাতে ২০২৪-২৫ সালে নন-বাসমতি চাল রপ্তানি ৩.৫% থেকে ৪% হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা ২০২৩-২৪ সালে দেখা ১.৪% বৃদ্ধির থেকে একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি চিহ্নিত করবে। ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪-এ প্রকাশিত সর্বশেষ মাসিক বুলেটিনে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াও বলেছিল যে কৃষি উৎপাদনের পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যবহারের সম্ভাবনা কৃষকদের জন্য খোঁজা চলছে। আর খারিফ ফসলের বপন গত বছরের তুলনায় বেশি হয়েছে।




