Article By – সুনন্দা সেন

শুক্রবার অর্থাৎ আজ একটি উপস্থাপনায় এয়ারলাইন জানিয়েছে, স্পাইসজেট QIP, ওয়ারেন্ট এবং প্রমোটার ওয়ারেন্ট এবং প্রোমোটার দ্বারা ইনফিউশনের মাধ্যমে ৩,২০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করার পরিকল্পনা করেছে।
বিনিয়োগকারী উপস্থাপনায় এয়ারলাইনটি পরিকল্পনা করার সময় বলেছে, স্পাইসজেট QIP- এর মাধ্যমে ২,৫০০ কোটি টাকা এবং পূর্ববর্তী ওয়ারেন্ট ও প্রমোটার ইনফিউশনের মাধ্যমে ৭৩৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করার পরিকল্পনা করেছে। আরও জানা যাচ্ছে যে, অজয় সিং প্রোমোটেড গতবছরের ডিসেম্বর মাসে ২,২৫০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহের কথা বলেছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মাত্র ১,০৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পেরেছিল।
সম্প্রতিকালে এয়ারলাইন সংস্থাটি কম উড়ান, টিকিট দামে হ্রাস, কার্যকরী মূলধনে উচ্চ ব্যয়, স্থির ব্যয় বৃদ্ধি এবং বকেয়া সহ একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। উপস্থাপনা অনুসারে ২০২৪ সালে এই পর্যন্ত ২৮ টি বিমান অ্যাক্টিভ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যা ২০১৯ সালে ৭৪টি বিমান থেকে ৩৬ টি কম। অন্যদিকে লাইভ এয়ারক্র্যাফ্ট ফ্লিট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটের মতে ৫ সেপ্টেম্বর ২০টি এয়ারক্রাফ্ট এক্টিভ ভাবে চলাচল করছে এবং ৩৮ টি গ্রাউন্ডে রয়েছে।
এয়ারলাইন জানিয়েছে ইজারাদাতারা ৩,৭০০ কোটি টাকার বকেয়া বাকি রয়েছে। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং EDE- এর দামে এবং এয়ারক্রাফ্ট পড়ে থাকায় ৬৫০ কোটি টাকার পাওয়না বকেয়া স্পাইসজেটের ঘাড়ে রয়েছে। তাই এয়ারলাইন সংস্থা সংগৃহীত তহবিল গ্রাউন্ডের কাজ, অপারেশনাল ওয়ার্ক, বকেয়া মেটানো এবং অন্যান্য সাধরণ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে।




