buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Data Center

AI ও ক্লাউড চাহিদা বাড়ায় ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের ডেটা সেন্টার খাতে বড় বিনিয়োগ; লাগতে পারে ৭০-৮০ বিলিয়ন ডলার

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের দ্রুত বিস্তারের ফলে আগামী কয়েকবছরে ডেটা সেন্টার খাতে এক বড় বিনিয়োগের ঝড় উঠতে চলেছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের ডেটা সেন্টার পরিকাঠামো গড়ে তুলতে প্রয়োজন হতে পারে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে ভারতের ডেটা সেন্টার ক্ষমতা প্রায় ১.৫ গিগাওয়াট (GW)। ক্লাউড পরিষেবা, ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-কমার্স, ৫জি এবং বিশেষ করে AI-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশনের চাহিদা বাড়তে থাকায়, এই ক্ষমতা ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ গিগাওয়াট বা তারও বেশি হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। 

10

শুধু ক্ষমতা দ্বিগুণ করতেই প্রয়োজন প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার, আর আরও বড় পরিসরে বিস্তারের জন্য মোট বিনিয়োগ ৭০–৮০ বিলিয়নে পৌঁছাতে পারে। AI-চালিত কাজের জন্য প্রচলিত ডেটা সেন্টারের তুলনায় অনেক বেশি কম্পিউটিং শক্তি, উন্নত কুলিং সিস্টেম এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ দরকার। ফলে নতুন প্রজন্মের ডেটা সেন্টারগুলো হবে আরও বড়, আরও শক্তিশালী এবং বিদ্যুৎ-নির্ভর। এই কারণেই বিদ্যুৎ খরচ ও বিদ্যুৎ প্রাপ্যতা এই খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।   
বর্তমানে মুম্বই, চেন্নাই, হায়দরাবাদ ও দিল্লি-NCR ভারতের প্রধান ডেটা সেন্টার হাব। তবে জমির দাম ও বিদ্যুৎ খরচ কম হওয়ায় মাঙ্গালুরু, বিশাখাপত্তনম, নোয়েডা ও পূর্ব ভারতের কিছু শহর নতুন হাব হিসেবে উঠে আসছে। রাজ্য সরকারগুলিও নীতি সহায়তা ও প্রণোদনা দিয়ে বিনিয়োগ টানার চেষ্টা করছে। এই বিশাল বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে গ্লোবাল ক্লাউড জায়ান্ট, হাইপারস্কেলার কোম্পানি এবং দেশের বড় কর্পোরেট গোষ্ঠীগুলি। বিশ্লেষকদের মতে, ডেটা সেন্টার শিল্প শুধু ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তিই মজবুত করবে না, বরং চাকরি সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভারতের গ্লোবাল ডিজিটাল হাব হওয়ার লক্ষ্যকেও ত্বরান্বিত করবে।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading