Article By – সুনন্দা সেন

আজ অর্থাৎ ২৪ জুলাই, ২০২৫ সরকার দ্বারা প্রকাশিত সূত্র জানিয়েছে যে অনিল আম্বানির গ্রুপের কোম্পানিগুলি এবং ইয়েস ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৩০০০ কোটি টাকার ব্যাংক লোনের জালিয়াতির সাথে যুক্ত অর্থ পাচার তদন্তের ভাব পেয়েছে ED। এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) দুই কেসে একযোগে অভিযান চালিয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো বা CBI কর্তৃক নথিভুক্ত FIR-এর পর অনিল আম্বানির রিলায়েন্স গ্রুপের অধীনস্ত বেশকিছু কোম্পানির উপর সন্দেহভাজন কিছু কারণে তদন্ত শুরু করেছে ED। আর এই তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে ED আজ ৩৫টিরও বেশি প্রিমিসেস, ৫০টি কোম্পানি এবং ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তি এই জালিয়াতিতে ইনভোলব রয়েছে বলে জানিয়েছে।
সরকারি সূত্র অনুসারে, ন্যাশনাল হাউজিং ব্যাংক, সেবি. ন্যাশনাল ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং অথরিটি (NFRA) এবং ব্যাংক অফ বরোদা সহ বেশ কয়েকটি সরকারি সংস্থা ED-কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। যা জনসাধারণের তহবিল অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার একটি ‘সুপরিকল্পিত এবং সুনিশ্চিত’ পরিকল্পনার অভিযোগকে সমর্থন করে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ইয়েস ব্যাংক থেকে প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকার লোন জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে যে এই লোন অনুমোদনের ঠিক আগে ইয়েস ব্যাংকের প্রমোটারদের অ্যালাউন্টে উল্লেখযোগ্য পরিমানে অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছিল।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী লোকসভায় জানিয়েছে, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI) ২৪জুন, ২০২৫-এ RBI- কে জালিয়াতির বিষয় জানায়। আর SBI বর্তমানে CBI-এর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঋণ বা লোন অনুমোদন প্রক্রিয়ার গুরুতর অনিয়মের কথা উঠে এসেছে। কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে ক্রেডিট অ্যাপ্রুভাল ম্যামোরেন্ডামস্ (CAMS)– এর মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলি পুরনো বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আর যথাযথ নীতিমালা উপেক্ষা করার কথাও উল্লেখ করা রয়েছে। এছাড়া SBI সাম্প্রতিক অনিল আম্বানি এবং তার সংস্থা রিলায়েন্স কমিউনিকেশনসকে ‘ফ্রড’ হিসাবে ঘোষণা করেছে।




