Article By – সুনন্দা সেন

স্থল পথের বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আমদানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা দেশীয় টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির জন্য ১,০০০ কোটি টাকারও বেশি অতিরিক্ত বিজনেস জেনারেট হতে পারে বলে মনে করছেন শিল্প বিশেষজ্ঞরা। তবে আবার অন্যদিকে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে শীতের মৌসুমে কিছু ব্র্যান্ডের পোশাকের সরবরাহে সামান্য হলেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। যা দেশের অভ্যন্তরীনে টি-শার্ট এবং ডেনিমের মতো পোশাকের দাম ২-৩% পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। ১৭মে, ২০২৫-এ এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালক বা DGFT (director general of foreign trade) বাংলাদেশ থেকে স্থলপথে পোশাক এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছেন। তবে কলকাতা এবং নহাভা শেভা বন্দর দিয়ে সেগুলি পাঠানোর অনুমতি রয়েছে।
স্থানীয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানির উপর বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানিয়েছে। কারণ তারা শূণ্য আমদানির শুল্কের কারণে বাংলাদেশ থেকে টেক্সটাইল আমদানিতে দ্বিগুণ অঙ্কের প্রবৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে চীনা কাপড়ের ব্যাক-ডোর দিয়ে আমদানিতেও রোধ করা যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিল্প সংশ্লিষ্ঠরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে স্থলপথে আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা স্থানীয় উৎপাদনে বৃদ্ধি আনতে পারে। আবার ২০% থেকে ৬০% শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলি বাংলাদেশ থেকে আসার উপর নিষেধাজ্ঞায় বাধা পাবে। আর এই ব্র্যান্ডগুলি এবং অনেক MSME ইউনিটের সরবরাহ শৃঙ্খল স্বল্পমেয়াদে বিস্মিত হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স (ICC)-এর জাতীয় টেক্সটাইল কমিটির চেয়ারম্যান সঞ্জয় কে জৈন বলেন, “আমরা বাংলাদেশ থেকে বছরে ৬,০০০ কোটি টাকার পোশাক আমদানি করতাম। এখন আমরা আশা করতে পারি যে ১,০০০-২,০০০ কোটি টাকার আমদানি ভারতীয় উৎপাদন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।” শিল্প বা ইন্ডাস্ট্রির হিসাব অনুযায়ী, ভারত তার পোশাক ব্যবহারের ১-২% আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। যেখানে বাংলাদেশ থেকে দেশের মোট পোশাক আমদানির করে প্রায় ৩৫%।




