Article By – সুনন্দা সেন

জামা – কাপড়, জুত এবং বিলাসবহুল পণ্যের সাথে বর্তমানে প্রয়োজনীয় পণ্য তথা সবজি, ফলের কেনকাটির বিষয়টি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজনের মতো অনলাইন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি কুইক কমার্স মার্কেটে বিপুল সাফল্যের দেখা পেয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইনে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে কার্যত একটি পরিবর্তন এসেছে। যার কারণে আগামীতে কুইক কমার্স সেগমেন্টের ব্যবসায় দুর্দান্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্টেও এই তথ্য উঠেছ যে ভারতের কুইক কমার্স মার্কেট ২০২৯-৩০ আর্থবছরে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের কুইক কমার্স মার্কেট ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। যেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের কুইক কমার্স মার্কেটের আকার ছিল মাত্র ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ছিলো। অর্ডার করার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই গ্রাহকদের ঘরের দোড়গোড়ায় পৌঁছে যাওয়া কুইক কমার্স সেগমেন্ট দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই প্ল্যাটফর্মগুলির হাত ধরে অনলাইন ডেলিভারিতে একটি নতুন যুগের শুরু হয়েছে।
অবশ্য কুইক কমার্সের বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তা কিছু ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তার কারণও হয়ে উঠছে। এটি কেবলমাত্র ট্র্যাডিশনাল ই-কমার্সই নয় এমনকি মুদিখানার দোকান এবং আধুনিক বাণিজ্য ফর্ম্যাটেও একটি বড়সড় ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। কিন্তু ব্লিঙ্কইট, সুইগি ইনস্টামার্ট এবং জিপ্টোর মত প্ল্যাটফর্মগুলির ১০ থেকে ৩০ মিনিটের ডেলিভারি পরিষেবাগুলির প্রতি গ্রাহকদের আকর্ষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতিমধ্যেই একাধিক নতুন স্টার্টআপ সংস্থা এই খাতে ব্যবসায় সাফল্যের দেখা পেয়েছে। আগামীতে এই কুইক কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলির পরিষেবা আরও বৈচিত্রপূর্ণ হয়ে উঠব বলে ধারণা করা হচ্ছে।




