ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাড়ি কেনার মতো বর্তমানে লোন বা ঋণ নিয়ে car কেনাও সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাড়ি কেনার জন্য থক টাকা না থাক বা পুরো টাকা গাড়ির পেছনে বিনিয়োগ না করে ব্যাংক থেকে বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিয়ে car কেনার প্রচলন ভারতে সময়ের সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ সাধারণ মানুষ নিজের স্বপ্নের car কিনতে লোন নেয়, তারপর মাসিক কিস্তির মাধ্যমে লোনের টাকা পরিশোধ করে। তবে কখনো ভেবে দেখেছেন কী একসাথে টাকা বিনিয়োগ করে এই ভাবে ঋণ নেওয়া উপকারী না ক্ষতিকর?

লোনের মাধ্যমে টাকা না জমিয়েও অবিলম্বে একটি car কেনার ক্ষেত্রে সুবিধা রয়েছে। কেবল মাত্র ডাউন পেমেন্ট হিসাবে গাড়ির দামের সামান্য অংশ পরিশোধ করে দিলেই গাড়ি কেনার লোন পাওয়া যায়। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে, আবার গাড়ির লোনের সুদে মাসিক কিস্তিতে করের সুবিধাও পাওয়া যেতে পারে। আবার লোন নিয়ে গাড়ি কেনার বড় অসুবিধাও রয়েছে। যেমন কোনও লোন নিলে তার সুদ দিতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে গাড়ির লোন নেওয়ার ক্ষেত্রেও সুদের হার দিতে হয় প্রত্যেক মাসে, ফলে খরচ বেড়ে যায়। এছাড়া হিসেব করে দেখলে লোন নিয়ে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে এক সময় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় না হলেও লোনের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধ করতে হয়।
সরকারি প্রকল্পের কোর্স
চলুন তবে অতিরিক্ত খরচের হিসেব দেখে নেওয়া যাক, গ্রাহক A, ১২ লাখ টাকার গাড়ি কেনে। আর তার জন্যে গাড়ি কোম্পানিকে গাড়ির দামের ২০% অর্থাৎ ২৪০০০০ টাকা পরিশোধ করে আর ১০ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে ৮% সুদের হারে কার লোনের সাহায্যে পছন্দের গাড়ি কেনেন। তিনি ঠিক করেন ৭ বছরে লোনের টাকা পরিশোধ করবেন। সেক্ষেত্রে ব্যক্তিটিকে মাসিক ১৫,৫৮৬ টাকা EMI দিতে হবে। যা হিসেব করলে দেখা যায় ৭ বছর পর লোনের টাকা এবং সুদ সমেত ব্যাংককে ১৩,০৯,২৪২ টাকা শোধ করেছে। অর্থাৎ ব্যাংককে অতিরিক্ত ৩,০৯,২৪২ টাকা দিতে হয়েছে।

এবার যদি হিসেব করে গাড়ি কেনার জন্য ১২ লাখের বদলে ব্যক্তিটির মোট খরচ হয়েছে ১৫,৪৯,২৪২ টাকা। অর্থাৎ অতিরিক্ত ৩,৪৯,২৪২ টাকা অতিরিক্ত খরচ করতে হবে। সাথে প্রত্যেক মাসের EMI এর চিন্তা। এছাড়া ৭ বছরে গাড়ির পেছনেও খরচ থাকবে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, EMI এর সাহায্যে গাড়ি কেনা সকলের জন্য উপকার প্রমাণিত হয় না। অনেক সময় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
Article By – সুনন্দা সেন




