Article By – সুনন্দা সেন

২২শে এপ্রিল ভারতের কাশ্মীরের পহেলগামে এক মারাত্মক সন্ত্রাসী হামলার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। যার কারণে ভারত পাকিস্তান থেকে আসা বা পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে যাতায়াতকারী সকল পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। ২মে,২০২৫ বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে যে নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে কার্যকর হবে। ভারত সরকার ২০২৩ সালের বৈদেশিক বাণিজ্য নীতিতে একটি নতুন অনুচ্ছেদ ২.২০ এ (2.20এ) চালু করেছে। যাকে পাকিস্তান থেকে আমদানি নিষিদ্ধকরণ বলা হয়েছে।
DGFT ২ মে তারিখের বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, পাকিস্তানে উৎপন্ন বা রপ্তানি করা সমস্ত পণ্যের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আমদানি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। জাতীয় নিরাপত্তা এবং জননীতির স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার যেকোনো ব্যতিক্রমের জন্য ভারত সরকারের পূর্ব অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। এই বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার ফলে পাকিস্তানের রপ্তানি খাত আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা সিমেন্ট, টেক্সটাইল এবং কৃষিজাত পণ্যের মতো পণ্যের জন্য আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যের উপর নির্ভর করে।
সরকারিনীতি নির্ধারিত বাণিজ্য ইতিমধ্যেই সীমিত হওয়ায়, এই পদক্ষেপ নীতি ব্যতীত বাণিজ্য রুটগুলিকেও ব্যাহত করতে পারে এবং অর্থনৈতিক চাপ আরও তীব্র করতে পারে। যদিও পাকিস্তান ভারতের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিত করেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন যে পাকিস্তানের সাথে ভারতের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য খুবই কম এবং ভারতের মোট বাণিজ্যের মাত্র ০.০৬%। ২০১৯ সালে পুলওয়ামা সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য আরও খারাপ হয়। এরপর ভারত পাকিস্তান থেকে আসা সকল পণ্যের উপর আমদানি শুল্ক ২০০% পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। যার মধ্যে রয়েছে তাজা ফল, সিমেন্ট, পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং খনিজ আকরিক।




