Article By – সুনন্দা সেন

জুলাই মাসে দেশ জুড়ে চলেছে কর্মী নিয়োগ। সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কর্মসংস্থানের সংখ্যা। ২০২৪ সালে পেশ হওয়া বাজেটেও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বিপুল অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জানা যাচ্ছে জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে বেকারত্বের হার অনেকটা কমেছে। কর্মসংস্থানের নিরিখে তৈরি তালিকায় একদম উপরে রয়েছে ত্রিপুরা এবং নীচে রয়েছে লাক্ষাদ্বীপের নাম (তালিকাটি কম বেকারত্ব থেকে বেশি বেকারত্বের হিসাবে তৈরী)। তালিকার প্রথম ৫- এ রয়েছে বাংলা অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের নাম।
কনজিউমার পিরামিড হাউসহোল্ডের সমীক্ষা বলছে যে, দেশে জুন মাসের থেকে জুলাই মাসে ১.৩% বেকারত্বের হার কমেছে। জুন মাসের ৯.২% বেকারত্বের হার কমে জুলাই মাসে ৭.৯%- এ দাঁড়িয়েছে। এছাড়া একই তথ্য পেয়েছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি বা CMIE পরিচালিত সমীক্ষা, যা ১,৭৮,০০০ টি ভারতীয় পরিবারের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে। এছাড়া আরও জানা যাচ্ছে যে, জুন মাসে দেশের বেকার নাগরিকের সংখ্যা ছিল ৪১.৪ মিলিয়ন, যা জুলাই মাসে কমে ৩৫.৪ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে।
CMIE- এর পরিসংখ্যান বলছে জুন মাসে শহরাঞ্চলে বেকারত্বে হার ছিল ৮.৮% এবং গ্রামাঞ্চলে এই হার ছিল ৯.৩%। জুলাই মাসে ১.৩% বেকারত্বের হার কমে যাওয়া, শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে ৮.৫% এবং গ্রামাঞ্চলের বেকারত্বের হার ৭.৫% হয়েছে। অর্থাৎ একমাসে ভারতের শহরগুলিতে ০.৩% বেকারত্ব এবং গ্রামীণ এলাকায় ১.৮০% বেকারত্ব হ্রাস পেয়েছে। জুলাই মাসে দেশের গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের হার শহরাঞ্চলের তুলনায় অনেকটাই বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
জুলাই মাসের ২২ তারিখে কেন্দ্রীয় শ্রম এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের সবচেয়ে কম বেকারত্বের হার ত্রিপুরায় প্রায় ১.৪% এবং সবচেয়ে বেশি লাক্ষাদ্বীপে প্রায় ১১.১%। কর্মসংস্থানের নিরিখে পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্যের বেকারত্বের হার ২.২%। আর বেকারত্বের তালিকায় পঞ্চমে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিম। তৃতীয় স্থানে আসাম, গুজরাট ও ঝাড়খন্ড, চতুর্থস্থানে দিল্লি। রাজ্যগুলির বেকারত্বের হার ১.৬%, ১.৭%, ১.৯%।





