Article By – সুনন্দা সেন

গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার (৯আগস্ট) ভারতের ডাল ও শস্য সমিতি (India Pulses and Grains Association) বা IPGA- এর চেয়ারম্যান বিমল কোঠারি এক তথ্য পেশ করেছেন ডালের আমদানি বিষয়ক। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে ২০২৪ অর্থবছরে গত পাঁচ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪.৭ মিলিয়ন টন ডাল আমদানি করেছে ভারত। তবে চলতি বছরে কমতে পারে আমদানি। যার পেছনের কারণ হল দেশের ভাল বর্ষা এবং উচ্চ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন। কোঠারি জানিয়েছেন, ভারত এই আর্থিক বছরে ৪-৪.৫ মিলিয়ন টন পরিমানে ডাল কম আমদানি করতে পারে।
যদিও বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে এবছরে ডালের আমদানি কমলেও বর্তমান নীতি পরিবর্তন না করা হলে আগামী পাঁচ বছরে ডালের সামগ্রিক আমদানি দ্বিগুন হয়ে প্রায় ৮-১০ মিলিয়ন টন বাড়তে পারে। বিশিষ্ট কৃষি অর্থনীতিবিদ এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর রিসার্চ অন ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক রিলেশনস বা ICRIER- এর বিশিষ্ট অধ্যাপক অশোক গুলাটি বলেছেন, কেবল বললেই বা ডাল উৎপাদন বাড়ালে হবে না। এই কাজগুলির পাশাপাশি নীতি কোন দিকে পরিচালিত করলে ভালো কাজ হবে তাও দেখতে হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন ধানের উৎপাদনে পাশাপাশি পাঞ্জাবের মতো রাজ্যের কৃষকদের ডাল চাষ করার জন্য পাঁচ বছরের জন্য হেক্টর প্রতি ৩৯ হাজার টাকা ভর্তুকি দেওয়া যেতে পারে।
IPGA দাবি করেছে, যে সরকার ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার ডালের বাজারের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী নীতি তৈরি করবে। কারণ ঘন ঘন নীতি পরিবর্তন স্টেক হোল্ডারদের স্বার্থে আঘাত করছে। এই বিষয়টিতে কোঠারি জানিয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত ১.৬ মিলিয়ন টন মসুর ডাল আমদানি করেছে। যেখানে দরকার ছিল মাত্র ১ মেট্রিক টনের। তবে হলুদ মটরে আমদানি কমতে পারে। এছাড়াও জেনে রাখা ভালো যে ভারতে ডাল উৎপাদন ২০১৫-১৬ সালের ১৬.৩২ মিলিয়ন টন থেকে ২০২৩-২৪ সালে প্রায় ২৫ মিলিয়ন টন বৃদ্ধি পেয়েছে।





