buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Health Insurance

পাঁচটি কারণ যার জন্য আপনার স্বাস্থ্যবিমার ক্লেম রিজেক্ট হতে পারে

করোনা পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজরদারির কারণে সাধারণ মানুষ আরও বেশি করে স্বাস্থ্যবিমার দিকে ঝুঁকেছেন। ২০২০ সালের অতিমারি আমাদের অনিশ্চিত স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। ফলে সম্ভাব্য চিকিৎসা খরচ যাতে আর্থিক পরিস্থিতির উপর কোনো প্রভাব ফেলতে না পারে তাই দিনদিন স্বাস্থ্যবিমার চাহিদা বাড়ছে।

এখানে জানিয়ে রাখি আমাদের দেশে চিকিৎসাজনিত খরচের বৃদ্ধির পরিমাণ 14% অর্থাৎ প্রতি বছর চিকিৎসাজনিত খরচ 14% করে বাড়ছে। ফলে স্বাস্থ্যবিমার জনপ্রিয়তা বেড়েছে সন্দেহ নেই। তবে বিমার পলিসি সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্যের ঘাটতি যদি আপনার থাকে তাহলে সঠিক প্রয়োজনে হয়তো আপনার ক্লেম বাতিল হতেও পারে। স্বাস্থ্যবিমা বাতিল হওয়ার একাধিক কারণ থাকতে পারে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা যাক –

11
  1. অপূর্ণ বা অসত্য তথ্য :  আপনি যদি বিমার ক্লেম ফর্মে ভুল বা অপূর্ণ তথ্য দেন তাহলে আপনার দাবি বাতিল হয়ে যাবে। এমনকি চিকিৎসার তারিখ, চিকিৎসা প্রক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে সামান্যতম তথ্যের হেরফেরও ক্লেম রিজেক্ট করার জন্য যথেষ্ট। স্বাস্থ্যবিমা কোম্পানিগুলি নিখুঁতভাবে প্রতিটি ক্লেম পরীক্ষা করে দেখে এবং এই সময় ক্লেম ও আসল মেডিক্যাল রেকর্ডের মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখা দিলেই ক্লেম রিজেক্ট হয়ে যাবে।
  1. Pre-existing medical condition :  যখন স্বাস্থ্যবিমার জন্য আবেদন করবেন সেই সময় pre-existing কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে অর্থাৎ আগে থেকে কোনো অসুখ বা মেডিক্যাল কন্ডিশন থাকলে সেটা যদি আবেদনের সময়ে প্রকাশ করা না হয় তাহলে পরবর্তীতে আপনার ক্লেম রিজেক্ট হয়ে যাবে। স্বাস্থ্যবিমা কোম্পানিগুলি প্রতিটি আবেদনকারীর সঙ্গে জড়িত সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলি দেখেন এবং pre-existing disease এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি আগে থেকে সেটা না জানালে আপনার শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনি ভুল তথ্য পেশ করেছেন সেটাই ধরে নেওয়া হবে। ফলে চুক্তি লঙ্ঘন হয়েছে এমনটা ধরেই ক্লেম বাতিল করতে পারে কোম্পানি। 
  1. সময়ের পরে ক্লেম জমা করা:  প্রতিটি স্বাস্থ্যবিমা কোম্পানি ক্লেম জমা করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা দেয়, তাকে filing limit বলা হয়। এই সময়সীমা মেনে আপনাকে ক্লেম সাবমিট করতে হবে, যা না করলে কোম্পানি আপনার বিমার দাবি বাতিল করে দেবে। 
  1. প্রয়োজনীয় নথির অভাব:  আপনি সঠিক সময়ে ক্লেম পেতে চাইলে প্রয়োজনীয় নথি সময়ে জমা দিন। যে-কোনো নথি জমা না পড়লে বা দেরিতে জমা পড়লে সেক্ষেত্রে ক্লেম বাতিল হতেই পারে। আপনি যে ক্লেম করছেন সেটা যথাযথ কিনা তা জানার জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা নেয় কোম্পানিগুলি। সুতরাং মেডিক্যাল রেকর্ড, বিল, ডাক্তারের রিপোর্ট ইত্যাদি প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া আপনার ক্লেম যথা সময়ে পাশ হবে না এবং রিজেক্ট হয়ে যাবে। 

Premium না দেওয়া:  সঠিক সময়ে প্রিমিয়াম না দিলে আপনার পলিসি ল্যাপ্‌স হয়ে যাবে এবং সেই ল্যাপ্‌স পিরিয়ডে করা যে-কোনো ক্লেম স্বাভাবিকভাবেই বাতিল করে দেবে কোম্পানি। সাধারণত প্রিমিয়ামের ডিউ ডেটের পর ৩০ – ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যেও যদি প্রিমিয়াম না জমা করা হয় তাহলে পলিসি বাতিল বলে গণ্য হয়।

এই বাতিল সময়ের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই আপনি কোনো কভারেজের মধ্যে থাকবেন না। ফলে এই সময়ে চিকিৎসাজনিত যে-কোনো খরচ ইনসিওরেন্স প্ল্যানের অধীনে কভার হবে না এবং সেই সময়ে করা সমস্ত ক্লেম বতিল হয়ে যাবে। যার কারণে আপনাকেই সেই চিকিৎসাজনিত খরচ বহন করতে হবে।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading