Article By – সুনন্দা সেন

সম্প্রতি অ্যামাজন জানিয়েছে যে তারা তাদের ‘গ্লোবাল সেলিং প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ভারত থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের ই-কমার্স রপ্তানি অতিক্রম করেছে। সাথে আরও নিশ্চিত করেছে যে তারা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত থেকে রপ্তানি ৮০ বিলিয়ন ডলার করার লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য ও শুল্কের প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে অ্যামাজন বলেছে যে এটি তার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকা বিষয়গুলি উপর মনোনিবেশ করছে এবং ভারতের স্ট্রেন্থ কাঠামোগত নয়, চক্রাকার। অ্যামাজন গ্লোবাল সেলিং ইন্ডিয়ার প্রধান শ্রীনিধি কালভাপুদি বলেন, শুল্ক বিষয় নিয়ন্ত্রন যোগ নয়, তবে অ্যামাজনের মনোযোগ নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইনপুটগুলির উপর ছিল।
অ্যামাজনের মতে, গত দশকে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা তাদের প্ল্যাটফর্মে বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের কাছে ৭৫ কোটিরও বেশি ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ প্রোডাক্ট বিক্রি করেছেন। ই-কমার্স সংস্থা ঘোষণা করে যে তারা ২০১৫-২০২৫ সালের মধ্যে গ্লোবাল সেলিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে ই-কমার্স লক্ষ লক্ষ ভারতীয় বিক্রেতাদের কাছে সুযোগ ছড়িয়ে দেওয়ায় রপ্তানি ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অবশ্য ২০২০ সালে অ্যামাজন ২০২৫ সালের মধ্যে ভারত থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের ক্রমবর্ধমান ই-কমার্স রপ্তানি সক্ষম করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। যে লক্ষ্যটি একই সময়সীমার মধ্যে পরবর্তীতে ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়েছিল। আর অ্যামাজন তার রপ্তানির প্রতিশ্রুতি সময়ের আগেই পূরণ করেছে।
একবছরে অ্যামাজনে রপ্তানিকারকদের সংখ্যা ৩৩% বৃদ্ধি পেয়েছে, ২লক্ষ উদ্যোক্তা এবং ছোট ব্যবসায়। অন্যান্য বড় সাফল্যের মধ্যে দিল্লি, রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্র অ্যামাজন গ্লোবাল সেলিং প্রোগ্রাম সর্বোচ্চ সংখ্যক রপ্তানিকারক রাজ্য হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে। হেলথ অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ার (৪৫%), বিউটি (৪৫%), খেলনা (৪৪%), বাড়ি (৩৯%), পোশাক (৩৭%) এবং আসবাবপত্র (৩৬%)- এর মতো বিভাগে ১০ বছরে সর্বোচ্চ চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক বৃদ্ধির হার বা CAGR (Compound Annual Growth Rate) দেখা গেছে। অ্যামাজন গ্লোবাল সেলিং ভারতের ২৮টি, ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ২০০টিরও বেশি শহর থেকে নিবন্ধিত বিক্রেতাদের (Registered Sellers) তালিকাভুক্ত করেছে।




