Article By – সুনন্দা সেন

১৩মার্চ, ২০২৫ সোনার দাম বেড়েছে। কারণ বাণিজ্য উত্তেজনা এবং প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি মেটালটির চাহিদা বৃদ্ধি করেছে। বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাবে। যা সোনার আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে তুলবে। আজ স্পট গোল্ড ০.৪% বেড়ে প্রতি আউন্স ২,৯৪৩.০৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন গোল্ড ফিউচার ০.২% বেড়ে প্রতি আউন্সে ২.৯৫১.৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ভারতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৮,৮১৬.৩ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৮,০৮৩.৩ টাকায় পৌঁছেছে।
সোনার দাম বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধির কারণগুলি হলো:
- শুল্ক অনিশ্চয়তা: চীনা পণ্যের উপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ২০% শুল্ক এবং কানাডিয়ান ও মেক্সিকান আমদানির উপর ২৫% শুল্ক অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়িয়েছে।
- মুদ্রাস্ফীতি এবং ফেড নীতি: মার্কিন কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বা CPI প্রত্যাশার চেয়ে বেড়েছে। যা মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা কমিয়েছে। কম মূল্যস্ফীতি ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর পক্ষে যুক্তি জোরালো করে। যা গোল্ডকে সমর্থন করে।
- নিরাপদ আশ্রয়স্থলের চাহিদা: অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে ঐতিহ্যবাহী হেজ হিসেবে সোনার দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ম্যারেক্স বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, “প্রতি আউন্স ৩,০০০ ডলার হল পরবর্তী যৌক্তিক লক্ষ্য, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।”
সোনার দাম আগের ২,৮৮৫ ডলার – ২,৯৩৫ ডলার প্রতি আউন্সের একত্রীকরণের সীমা থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং এখন প্রতি আউন্সে ২,৯৭৫ ডলার (ভারতে প্রতি ১০ গ্রাম ৮৭,৫০০ ডলার) লক্ষ্য করছে। অগমন্ট বুলিয়নের প্রতিবেদনে সোনার দাম প্রতিরোধের মাত্রার উপরে থাকলে আরও ঊর্ধ্বমুখী গতির ইঙ্গিত দেওয়া হয়।




