Article By – সুনন্দা সেন

ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম আবার বাড়তে পারে বলে একটি নতুন বাজার বিশ্লেষণ ইঙ্গিত দিয়েছে। ব্রোকারেজ সংস্থা এমকে গ্লোবাল (Emkay Global)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচনের পর ফুয়েল অয়েলের দাম প্রথম ধাপে প্রায় ১০ টাকা / প্রতি লিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। যা স্বল্পমেয়াদে শেয়ার বাজারে সংশোধন ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সাথে Emkay-এর রিপোর্ট বাজারে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। যা শুধু শেয়ারবাজার নয়, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রডের দাম এখন তুলনামূলকভাবে উচ্চস্তরে রয়েছে। ব্যারেল প্রতি দাম প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকায় ভারতের তেল বিপণন সংস্থাগুলোর উপর চাপ বাড়ছে। বর্তমানে দেশে নিয়ন্ত্রিত দামে জ্বালানি বা ফুয়েল বিক্রি হওয়ায় এই সংস্থাগুলোর বড় অঙ্কের বড় অঙ্কের ক্ষতি বা আন্ডার রিকোভারি তৈরি হচ্ছে। আর এমকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে পারে না। তাই সকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের পর ধাপে ধাপে দাম সমন্বয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এটি সম্পূর্ণভাবে বাজার পরিস্থিতি ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইতিমধ্যেই শেয়ারবাজারে ভালো র্যালি দেখা গেছে, তাই নতুন কোনো নেতিবাচক ইঙ্গিত এলে স্বল্পমেয়াদে লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে। এতে নিফটি ও সেনসেক্সে সংশোধন দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে অন্যদিকে এটিকে একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি হিসাবেও দেখা হচ্ছে। সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি ঘোষণা করেনি। আবার বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, আন্তর্জাতিক হয়ে তেলের দাম স্থিতিশীল হলে বা কমলে এই চাপ কিছুটা কমতে পারে। আবার রুপি বিনিময় হার এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিও জ্বালানি দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।




