নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস থেকে খাদ্যপণ্যের একাধারে বাড়তে থাকা দাম দেশবাসীর প্রধান অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি তেল, শ্যাম্পু থেকে শুরু করে টমেটো, পেঁয়াজ, ডাল সহ একাধিক প্রয়োজনীয় পণ্যের price বেড়েছে। যে কারণে বিশেষ ভাবে দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারে পকেটে বেশি চাপ অনুভব করা যাচ্ছে। এই বিষয়ে নজর রেখে কেন্দ্রীয় সরকার নিচ্ছেন একাধিক পদক্ষেপ।
চাল, ডাল ও আটা ভারতীয়দের প্রধান খাদ্য শস্য। এমন অবস্থায় ডালের price বাড়তে থাকলে তা সাধারণ মানুষের জন্য বিশেষ চাপ সৃষ্টি করবে। যে কারণে ডালের বাড়তে থাকা price কমানোর জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহন করেছে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকার। যে কারণে অড়হর, এবং ছোলার ডালের মজুতের উপর সীমা আরোপ করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। আর এটি চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। আর নিয়মটি মিলের মালিক, আমদানিকারক, বড় চেন খুচরা বিক্রেতা, পাইকারি বিক্রেতা এবং খুচরা বিক্রেতাদের জন্য প্রযোজ্য হতে চলেছে।
সরকারি প্রকল্পের কোর্স
জারি করা নির্দেশিকায় বলা রয়েছে, পাইকারি বিক্রেতারা কাবুলি ছোলা, অরহর ও ছোলার ডাল ২০০ টন পর্যন্ত মজুত রাখতে পারেন। যা খুচরা বিক্রেতাদের জন্য সর্বাধিক ৫ টন ফিক্সড করা হয়েছে। আর প্রত্যেক ডালের ক্ষেত্রে ৫ টন। অর্থাৎ ৫ টন কাবুলি ছোলা, ৫ টন অড়হর ও ৫ টন ছোলার ডাল রাখতে পরবে। আবার বড় চেন খুচরা বিক্রেতা বা আমদানি কারক ২০০ জন পর্যন্ত ডাল মজুত রাখার অনুমতি পেয়েছে।

যদি কারোর কাছে নির্ধারিত সীমার বেশি পরিমানে তিন প্রকারের ডাল থাকে, তাহলে সেটি ১২ জুলাই, ২০২৪ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত পরিমানের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। সাথে সমস্ত সংস্থাগুলিতে স্টকে মজুত থাকা ডালের পরিমান ডিপার্টমেন্ট অফ কনজিউমার অ্যাফেয়ার্সের পোর্টলে জানাতে হবে। এছাড়া আমদানিকারকেরা শুল্ক ছাড়ের পত্র পাওয়ার তারিখ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত আমদানীকৃত ছোলার, অড়হর ও কাবুলি ছোলার ডাল মজুত রাখার নুমতি পেয়েছেন।
Article By – সুনন্দা সেন





