বাংলাদেশের সঙ্কটে কপাল খুলল ভারতের টেক্সটাইল শিল্পে। রকেট গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভারতের টেক্সটাইল কোম্পানিগুলির শেয়ার। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের কারণে সেখানকার বস্ত্রশিল্পের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। তাই সারা বিশ্বের ক্রেতারা এবার ভারতের দিকে ঝুঁকতে পারেন বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বলাই বাহুল, বাংলাদেশের সঙ্কটের ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে ভারতের টেক্সটাইল খাতে।
গত দুদিনে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশ কিছু টেক্সটাইল কোম্পানির শেয়ারের দামে পতন হয়েছে। তার নেপথ্যে রয়েছে বাংলাদেশের বর্তমান সংকটকালীন পরিস্থিতি। বহু কোম্পানির বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। আর কিছু কোম্পানি বন্ধ হতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে পোশাকের চাহিদা মেটাতে ভারতের শরণাপন্ন হতে পারেন সারা বিশ্বের ব্যবসায়ীরা। এসব প্রত্যাশার মধ্যেই শেয়ারের দাম বাড়ল ভারতীয় টেক্সটাইল কোম্পানিগুলোর।বুধবারও পুঁজিবাজারে বেড়েছে অনেক টেক্সটাইল কোম্পানির শেয়ারের দাম।
দেখে নেওয়া যাক বুধবার কোন কোন টেক্সটাইল কোম্পানির চেয়ারের দাম বাড়ল:-
1. এসপি অ্যাপারেলস লিমিটেড:- বুধবার, প্রথম দেড় ঘণ্টায় 14 শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে এসপি অ্যাপারেল কোম্পানির শেয়ার দর। যদিও পরে তাও কমে যায়। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এ কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পায় প্রায় 18 শতাংশ। বর্তমানে এই কোম্পানির শেয়ার প্রায় 1015 টাকায় রয়েছে এবং দর ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে।
2.Kitex Garments Limited:- Kitex কোম্পানির Kitex Garments Limited শেয়ারও বাজারে বেশ প্রভাবশালী। বুধবার প্রথম দেড় ঘণ্টায় 7 শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাই এই কোম্পানির শেয়ার। এই মুহূর্তে এর শেয়ারের দাম 264 টাকা।
3. সেঞ্চুরি এনকা লিমিটেড:- টেক্সটাইল সেক্টরের সঙ্গে সম্পর্কিত এই কোম্পানির শেয়ারগুলিও বাজারে দুর্দান্ত পারফর্ম করছে। বুধবার প্রথম দেড় ঘণ্টায় তা বেড়েছে 3 শতাংশের বেশি। বর্তমানে এই শেয়ারগুলি প্রায় 690 টাকায় রয়েছে।
4. অরবিন্দ লিমিটেড:- এই কোম্পানির শেয়ারও বেড়েছে রকেট গতিতে। বুধবার সকালে এই কোম্পানির শেয়ার 5 শতাংশ বেড়ে 406 টাকা অতিক্রম করেছে।
5. কেপিআর মিল লিমিটেড:- বুধবার সকালে এই টেক্সটাইল কোম্পানির শেয়ার 2 শতাংশের বেশি বেড়েছে। পরে অবশ্য কমে যায়। বর্তমানে প্রায় 960 টাকায় রয়েছে এই কোম্পানির শেয়ার।
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শিল্প বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাত। বাংলাদেশ থেকে থেকে ইউরোপ আমেরিকাসহ বিশ্বের অনেক দেশে কাপড় রপ্তানি হয়। বাংলাদেশ সংকটের পর সেখানকার বাণিজ্যের ১০ শতাংশ ভারতে এলে ভারতের বস্ত্র শিল্পে দুর্দান্ত প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
Article By – আস্তিক ঘোষ






