১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ এবার সবচেয়ে খারাপ রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। বিক্ষোভের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। এই ধরনের পরিস্থিতিতে অন্যান্য দেশ থেকে বাণিজ্যিক সমর্থন কমে যায়। তেমনটাই ঘটেছে বাংলাদেশের সাথেও। S&P গ্লোবাল রেটিংসের এশিয়া প্যাসিফিক বা Sovereign and Internation Public Finance Rating- এর পরিচালক অ্যান্ড্রু উড (Andrew wood) বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেশ দুর্বল। সম্ভবত বৈশ্বিক দেশগুলির অনেকেই রপ্তানি কম করবে, যার মধ্যে ভারতেরও নাম রয়েছে।
ভারত সমগ্র বিশ্বে একটি বহুমুখী রপ্তানিকারক। যার বাণিজ্য প্রোফাইল কেবল বাংলাদেশের মতো অর্থনীতির সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড়। উড বলেছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। আবার ভারত এশিয়ার প্রতিবেশী দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। তারপরেও একথা সত্যি যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যে প্রভাব চলতি অর্থবছরে ভারতের উপর পড়বে না। যার দরুণ দেশের অর্থনীতি কোনো ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। S&P গ্লোবাল রেটিংসের রিপোর্ট অণুযায়ী, ভারত একটি শক্তিশালী এবং বিশ্বের কাছে নিট ঋণদাতা।
২০২২-২৩ সালে বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানির পরিমান ছিল ১২.২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা ২০২৩-২৪ সালে কমে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে আমদানির পরিমাণ ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে কমে গত অৃ্থবছরে (২০২৩-২৪)- এ ১.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ভারতের বাংলাদেশে প্রধান রপ্তানি মধ্যে শাক সবজি, চা, মশলা, চিনি, কফি, রাসায়নিক, অপরিশোধিত পেট্রোলিয়ম, ইস্পাত, যানাবহন,তুলা এবং লোহা। আর প্রধান আমদানি পণ্য হল চামড়া, প্লাস্টিক, পোশাকের মধ্যে শাড়ি এবং মাছ। যে কারণে রপ্তানি এবং আমদানি কমালে ভারতের অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব তেমন পড়বে না।
Article By – সুনন্দা সেন






