Article By – সুনন্দা সেন

পরিবেশ দূষণ ও কার্বণ নির্গমন হ্রাসের উদ্দেশ্যে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্র। কারণ দেশে কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে পরিবেশ দূষণ। কার্বন নির্গমন কমাতে ভারত বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদনের উপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। ভারত সরকার দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহারও দ্রুত বৃদ্ধি করতে চাইছে। আগামী কয়েক বছরে দেশের বৈদ্যুতিক গাড়ির খাতটিতে দুর্দান্ত বৃদ্ধি লক্ষ্যণীয় হওয়ার প্রত্যাশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। কেবল দেশে নয় বিশ্বব্যাপি অটোমোবাইল সংস্থাগুলি ব্যাটারি চালিত গাড়ি লঞ্চ করছে, আশা করা যাচ্ছে এই কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সম্প্রতি একটি সংস্থার পক্ষ থেকে করা গবেষণায় উঠে আসা তথ্য অনুসারে, ২০৩০ সালে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বৈদ্যুতিক চারচাকা গাড়ি প্রস্তুতকারী হয়ে উঠতে চলেছে দেশ। পাশাপশি আরও জানা যাচ্ছে যে বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদনের ক্ষমতা ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ১০ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ২৫ লক্ষ ইউনিটে পৌঁছে যাবে। বর্তমানের ০.২ মিলিয়নের তুলনায় উৎপাদন দুর্দান্ত বৃদ্ধি দেখতে পাবে বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলে একাংশ। আর এই বৃদ্ধির কারণেই চীন, ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম চারচাকা ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদক দেশে পরিণত হবে।
আজ থেকে আগামী পাঁচ বছরে ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদনের ক্ষমতা দেশের অভ্যন্তরীন চাহিদাকেও ছাপিয়ে যাবে। দেশে ইলেকট্রিক যানবাহনের উৎপাদন ক্ষমতা অভ্যন্তরীন চাহিদার ক্ষেত্রে ১১ লক্ষ থেকে ২১ লক্ষ ইউনিট বেশি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের বাজারে বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদায় একটি দুর্দান্ত বৃদ্ধি লক্ষ্যণীয় হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। কারণ অভ্যন্তরীন চাহিদা ৪ লক্ষ থেকে ১৪ লক্ষ ইউনিট পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হয়েছে। আজকের (২১জুন) প্রকাশিত তথ্যে এই সকল বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়া সাথে বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে বিশ্বাসের উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।




