Article By – সুনন্দা সেন

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করার সাথে সাথে ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা (Policy makers) একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগত ফলাফলের ওপর নির্ভর করছেন বলে জানা গেছে। যা হলো রপ্তানি প্রতিযোগীতা বৃদ্ধির জন্য চীনের সাথে ভারতের একটি অনুকূল শুল্ক পার্থক্য বজায় রাখা। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত কর্মকর্তাদের মতে, নয়াদিল্লি আশা করছে যে ওয়াশিংটন চীন এবং ভারতের উপর আরোপিত শুল্কের মধ্যে ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত ব্যবধান বজায় রাখবে। তাদের মতে, এই পার্থক্য সম্ভবত ভারতীয় নির্মাতাদের আমেরিকান বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সাহায্য করবে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে যেসব ক্ষেত্রে ভারত সরাসরি চীনের সাথে প্রতিযোগীতা করে, তাতে শুল্ক ব্যবধান বেশী কাম্য। এদিকে কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল খাতে আরও বেশি প্রবেশাধিকারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাপ দিচ্ছে। তবে ভারতীয় আলোচকরা (negotiators) ৯জুলাইয়ের আগে একটি সীমিত ‘আরলি হারভেস্ট’ চুক্তির দিকে নজর দিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। অবশ্য এর পূর্ণাঙ্গঁ চুক্তি সম্পন্ন হওয়া অসম্ভব। আগে যখন ভারত দেশীয় কৃষকদের জন্য উদ্বেগের কারণে বাণিজ্য উদারীকরণের বিরোধিতা করার পর নীতিনির্ধারকরা বর্তমানে শিল্প ও মধ্যবর্তী পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাসের জন্য অপেক্ষা করছেন।
এছাড়া জেনেটিক্যালি মডিফাইড খাবারের উপর বিধিনিষেধ শিথিল করার আলোচনার পাশাপাশি অটোমোবাইল, ফল, বাদাম এবং অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়র মতো খাতগুলি বিষয়ে আলোচনা করার কথা বিবেচনা করছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত কর্মকর্তাদের মতে, বাণিজ্য সমীকরণ বিস্তার করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অপরিশোধিত তেল, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং বেসামরিক পারমানবিক প্রযুক্তির মতো খাতে আমদানি বৃদ্ধির বিকল্পগুলি খুঁজছে।




