buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Sugar

ভারতের চিনি রপ্তানি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকতে পারে! কারণ হয়তো এল নিনো ও ইথানল

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

ভারত আগামী কয়েক বছর চিনি রপ্তানির বাজারে কার্যত অনুপস্থিত থাকতে পারে। কারণ একদিকে সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনোর (EL Nino) প্রভাবে দুর্বল বর্ষার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে সরকারের ইথানল মিশ্রণ কর্মসূচির জন্য আখের বড় অংশ জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে দেশের চিনি উৎপাদন ও উদ্বৃত্ত; উভয় চাপে রয়েছে। এছাড়া বিশেষজ্ঞরা জানা যাচ্ছেন যে দেশের বার্ষিক চিনি উৎপাদন হতে পারে প্রায় ২৭.৯ মিলিয়ন টন, যেখানে অভ্যন্তরীণ চাহিদা প্রায় ২৮.৫ মিলিয়ন টন। 

9

উৎপাদনের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকায় সীদ্ধান্তটি কার্যকর রূপে প্রভাবিত হতে পারে। আর সেই কারণে বিশেষ করে সরকার আগামী অন্তত তিনটি সিজিনে চিনি রপ্তানি সীমিত রাখবে বলেই বাজারের ধারণা। একসময় ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি রপ্তানিকারক দেশ ছিল। ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর বার্ষিক হিসেবে প্রায় ৬.৮ মিলিয়ন টন চিনি রপ্তানি করে ভারত। কিন্তু বর্তমানে রপ্তানি প্রায় ৮ লক্ষ টনে নেমে এসেছে।

এছাড়া আরও জানা যাচ্ছে যে সরকারের লক্ষ্য ২০% ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহারের হার বাড়ানো। এর ফলে আখ থেকে আরও বেশি ইথানল উৎপাদন হচ্ছে এবং চিনির জন্য কাঁচামাল কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে এল নিনোর কারণে বর্ষা দুর্বল হলে আখের চাষ ও ফলন আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর যদি এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে ভারতকে প্রায় এক দশক পর আবার চিনি আমদানি করতে হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে চিনির সরবরাহ সীমিত থাকলে খুচরা বাজারে চিনির দাম বাড়তে পারে। মিষ্টি, বিস্কুট, সফট ড্রিংকস এবং অন্যান্য খাদ্যপণ্যের উৎপাদন খরচও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় রপ্তানি কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে চিনির দামও ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে, যার প্রভাব আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর আরও বেশি পড়বে।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading