Article By – সুনন্দা সেন

১১মার্চ, ২০২৫ (মঙ্গলবার) দেশের এক শীর্ষস্থানীয় শিল্প সংস্থা জানিয়েছে, সয়া তেল এবং সানফ্লাওয়ার ওয়েল (সূর্যমুখী তেল) আমদানি হ্রাসের ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের ভোজ্য তেল আমদানি চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এদিকে তেলের মজুদও তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। টানা দ্বিতীয় মাসের মতো স্বাভাবিকের চেয়ে কম আমদানির ফলে বিশ্বের বৃহত্তম ভেজিটেবিল তেলের ক্রেতা দেশটির মজুদ কমে গেছে। তবে আশা করা হচ্ছে মজুদ কমে যাওয়ার জন্য আগামী মাসগুলিতে ভারত ভোজ্য তেলের ক্রয় বাড়াতে বাধ্য হবে। যা মালেশিয়ার পাম তেল এবং মার্কিন সোয়া তেলের ফিউচারকে সমর্থন করবে।
সলভেন্ট এক্সট্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া বা SEA এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত মাসে (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) দেশের পাম তেল আমদানি জানুয়ারি, ২০২৫-এর থেকে ৩৫.৭% বেড়ে ৩,৭৩,৫৪৯ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। SEA অনুসারে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে শেষ হওয়া মার্কেটিং ইয়ারে (বিপণন সালে) ভারত প্রতি মাসে গড়ে ৭,৫০,০০০ টনেরও বেশি পাম তেল আমদানি করেছে। SEA আরও জানিয়েছে যে ফেব্রুয়ারিতে সোয়া তেলের আমদানি ৩৬% কমে ২৮,৩,৭৩৭ টনে এবং সূর্যমুখী তেলের আমদানি ২০.৮% কমে ২,২৮,২৭৫ টনে দাঁড়িয়েছে। আর এই দুই ধরনের তেলের চালান কমে যাওয়ায় দেশের মোট ভেজিটেবিল ওয়েল আমদানি ১২% কমে ৮,৯৯,৫৬৫ টনে দাঁড়িয়েছে। যা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন।
ভারতের ভোজ্য তেলের মজুদ এক মাস আগের তুলনায় ১৪% কমে ১ মার্চ, ২০২৫-এ ১.৮৭ মিলিয়ন টনে দাঁড়িয়েছে। যা তিন বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। SEA আরও জানায় যে, ভারত মূলত মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং থাইল্যান্ড থেকে পাম তেল কেনে। অন্যদিকে রাশিয়া, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা এবং ইউক্রেন থেকে সোয়া এবং সূর্যমুখী তেল আমদানি করে। ভোজ্য তেলের ব্যবসায়ী জি জি এন (GGN) রিসার্চের ব্যবস্থাপনা অংশীদার রাজেশ প্যাটেল বলেন, মার্চ মাসে পাম তেল এবং সোয়া তেলের আমদানি উন্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ ভোজ্য তেল ইন্ডাস্ট্রি মজুদ পক্ত এবং বাড়ানোর চেষ্টা করছে।




