প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি অচিরাচরিত শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তি সাশ্রয়ে নজির স্থাপন করল সেন্ট্রাল জোন রেলওয়ে। পশ্চিম ঘাটের ইগাতপুরী হ্রদে 10 MWp ক্ষমতা সম্পন্ন ভাসমান সোলার প্ল্যান্ট স্থাপন করল সেন্ট্রাল জোন রেলওয়ে। Indian Railways-এর ইতিহাসে এই প্রথম এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হল বলে জানিয়েছেন রেলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
সেন্ট্রাল রেলওয়ের আধিকারিকদের মতে, এই সোলার প্ল্যান্টটি পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে সৌর শক্তি ব্যবহার এবং বায়ু-শক্তি সংস্থান স্থাপন করার পাশাপাশি যাত্রীদের পর্যাপ্ত সুবিধা প্রদান করবে। “গ্রিন আর্থ” তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ Indian Railways। রেলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আরও জানান, 2030 সালের মধ্যে শূন্য কার্বন নির্গমনের চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে Indian Railways।
সরকারি প্রকল্পের কোর্স
রেলওয়ে স্টেশন এবং ভবনগুলির ছাদ ব্যবহার করে 12.05 MWp সোলার প্ল্যান্ট চালু করেছে সেন্ট্রাল রেলওয়ে, যার মধ্যে 4 MWp সোলার প্ল্যান্ট চালু করা হয় গত বছরেই। কেন্দ্রীয় রেলওয়ের একজন সিনিয়র আধিকারিক জানান,”বিদ্যুতের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাপ হলো মেগাওয়াট পিক। এর ফলে 2023-24 সালে 4.62 কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে এবং কার্বন ফুটপ্রিন্টে 6,594.81 মেট্রিক টন সাশ্রয় হয়েছে।

তিনি আরও বলেন – “আরও একটি ইনস্টল করার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছরে অতিরিক্ত 7 MWp সোলার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে”। সেন্ট্রাল রেলওযয়ে সূত্রে খবর, 325 মেগাওয়াট সোলার এবং বায়ু শক্তি ব্যবহারের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। “রাউন্ড দ্য ক্লক” ভিত্তিতে তা চালু করা হবে। এর পাশাপাশি চলতি অর্থবর্ষে 180 মেগাওয়াট সৌর ও 50 মেগাওয়াট বায়ু শক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এই উদ্যোগ 2.5 লাখ গাছ সংরক্ষণের জন্য নেওয়া হয়েছে। দিন দিন গোটা বিশ্বে সৌরশক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই, তা হল দূষণের পরিমান কমানো। গত বছর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। যা দিয়ে ওই দেশের বিদ্যুতের ঘাটতি অনেকটাই মেটানো যাবে। এদিক থেকে পিছিয়ে নেই ভারতও।
Article By – আস্তিক ঘোষ





