buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Export

৫০% শুল্ক কী একপ্রকার সুযোগ ভারতের জন্য? প্রধানমন্ত্রীর শুল্কের আঘাত থেকে রক্ষা পাওয়ার পরিকল্পনাগুলিতে চোখ রাখুন

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (US) ভারতের ৪৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানিতে শুল্ক হ্রাসের আশঙ্কা রয়েছে। SBI রিপোর্টে আশা করা হচ্ছে যে ভারতের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বাণিজ্য ঘাটতিতে রূপান্তরিত হবে এবং GDP প্রতিকূলতার সাথে লড়বে। ২৭ আগস্ট থেকে ওয়াশিংটন বেশিরভাগ ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০% শুল্ক  আরোপ করছে। যার দরুণ কিছু ছাড়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ২৫ আগস্ট জারি করা শেষ বিজ্ঞপ্তিতেও ওষুধ, জ্বালানি এবং ইলেকট্রনিক্সের মতো খাতগুলিকে এর থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যেখানে উচ্চ শুল্ক হারের জন্য টেক্সটাইল, চিংড়ি, হস্তশিল্প এবং রত্নের মতো খাতের অর্ডার ইতিমধ্যেই ধীরগতিতে চলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত সরকারকে অভ্যন্তরীণ অসুবিধার মধ্যে ব্যস্ত রাখার জন্য ভারত সরকারেকে অভ্যন্তরীণ অসুবিধার মধ্যে ব্যস্ত রাখার জন্য সীদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং চায় দেশটি যাতে আমেরিকার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। 

July 18 New in article ads By Sir 1

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্রাম্পের শুল্কে চাপকে কমিয়ে আনার জন্য উপায় বের করছেন। সাথে তিনি জানাচ্ছে ৫০% শুল্ক না চাইতেও ভারতের জন্য বৃহৎ সুযোগ হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া অতিরিক্ত শুল্কের চাপ কমানোর সুযোগগুলি হলো –

  1. ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ফলে ভারত তার রপ্তানির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর সুযোগ পেয়েছে। আর সেই জন্য বিকল্প বাজারের খোঁজে নিজের যাত্রা শুরুর সাথে সাথেই ভিন্ন বাজারের সন্ধানও পেয়েছে। ব্রাজিলের পলিটিক্যাল সাইনটিস্ট মাতিয়াস স্পেক্টর ট্রাম্পের রাজনৈতিক বলপ্রয়োগের হাতিয়ারের বিরুদ্ধে ভারতে পদক্ষেপকে একটি কৌশলগত হেজ হিসাবে বর্ণনা করেছে। যেখানে স্বাধীনতা, একাধিক বিকল্প এবং সমঝোতার ইতিবাচক দিক রয়েছে। 
  1. অনেক রপ্তানি-নির্ভর দেশের বিপরীতে, ভারতীয় অর্থনীতি তার শক্তির উৎস, অভ্যন্তরীণ ভোগ সহ ব্যক্তিগত ব্যয় GDP-তে প্রায় ৬১.৪% অবদান রাখে। যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭.৪ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ভারতের মোট উৎপাদনের মাত্র ২%। এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো GST সংস্কার। যা স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লার প্রাকার থেকে মোদী ঘোষণা করেছিলেন। ব্লুমবার্গের মতে, এই পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনার আগে সমস্ত রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের সাথে পরামর্শ করা হয়নি, যা কেন্দ্রের তৎপরতার ইঙ্গিত দেয়।

ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা আজ সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করার জন্য বৈঠক করেছেন। যার আলোচনার বিষয় রয়েছে কম সুদে ঋণ এবং নতুন বাজারে প্রবেশের জন্য সহায়তা। এছাড়া জানা যাচ্ছে যে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করার জন্য মোদী দুটি উচ্চ-স্তরের প্যানেল গঠন করেছেন।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading