Article By – সুনন্দা সেন

ভারত তুরস্ক এবং আজারবাইজান উভয়ের সাথেই শক্তিশালী ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভাগ করে নেয়। আর বাণিজ্য সম্পর্ক ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত থেকে এই দেশগুলিতে ট্রাভেলও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বর্তমান সীমান্ত উত্তেজনা সেখানে ভ্রমনকারী ভারতীয় পর্যটকদের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তুরস্ক এবং আজারবাইজান উভয়ই পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন দেখিয়েছে। অবশ্য কেবল ভ্রমণ নয় দুই দেশ ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদারও। তাই বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে কীনা বা পড়লে কী প্রকার পড়বে তা জেনে নেওয়া যাক-
- আজারবাইজান ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে। বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারত আজারভাইজান থেকে অপরিশোধিত তেলের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রেতা ছিল। যেখানে তারা ১.২২৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অপরিশোধিত তেল কিনেছিল। এছাড়া সরকারি তথ্য দেখায় যে, ভারত ১.২৩৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করেছে এবং আজারবাইজানে ২০১ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। এছাড়া ভারতীয় ট্রাভেলারদের দ্বারা আজারবাইজান ২০২৫ সালে ২.৪৩ লক্ষ যাত্রী লক্ষ্য করেছে। অবশ্য বর্তমানের পরিস্থিতির পর এই সংখ্যা হ্রাস পাবে বলে জানা যাচ্ছে।
- সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তুরস্কের সাথে ভারতের বাণিজ্য স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২-২৩ সালে দুই দেশের মধ্যে মোট বাণিজ্য ১৩.৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে, বাণিজ্য দাঁড়িয়েছে ১০.৪৩ বিলিয়ন ডলারে। ভারত ৬.৬৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি এবং ৩.৭৮ বিলিয়ন ডলার আমদানি করে। এবার এই পরিমাণ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটাই দেখার।
তুর্কি এবং আজারবাইজান উভয়ই ভারতীয়দের কাছে জনপ্রিয় ভ্রমণ স্থান হয়ে উঠেছে। গত বছর তুর্কিয়ে ৩.৩ লক্ষ ভারতীয় পর্যটক আয়োজন করেছিলেন, যা ২০২২ সালের তুলনায় ২০.৭% বেশি। তবে, ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে বর্তমান উত্তেজনা এবং উভয় দেশই পাকিস্তানকে সমর্থন করার কারণে, অনেক ভারতীয় ভ্রমণ প্ল্যাটফর্ম সতর্কতা জারি করা শুরু করেছে। এমনকি কেউ কেউ আপাতত নতুন বুকিং নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।




