Article By – সুনন্দা সেন

চারটি বাণিজ্য সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার বাজারে হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির পর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরবরাহের জন্য নির্ধারিত ৬৫,০০০ মেট্রিক টন অপরিশোধিত পাম তেলের অর্ডার বাতিল করেছে ভারতীয় পরিশোধকরা। মালয়েশিয়ার পাম তেলের ফিউচার ৬%-এর বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত তিন দিনে বিশ্বের বৃহত্তম পাম তেল আমদানিকারক দেশটির পরিশোধকরা তাদের অর্ডার বাতিল করেছে। আর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে লাভের মাধ্যমে দাম কমার সম্ভাবনার বিরুদ্ধে ঝুঁকি কমাতে।
এই সপ্তাহে পাম তেলের ফিউচারের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। পাশাপশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জৈব জ্বালানি মিশ্রণের পরিমাণ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়ার পর শিকাগো সয়া অয়েল ফিউচারে বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। গণমাধ্যমের সূত্রগুলো জানিয়েছে, হঠাৎ করে তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে ভারতীয় পরিশোধকরা প্রতি টন ১,০৫০ থেকে ১,০৬৫ ডলারের মধ্যে চুক্তি বাতিল করে। যার ফলে প্রতি টন ৩০ ডলারেরও বেশি লাভ হওয়ার সম্ভবনা ছিল। নয়াদিল্লি-ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক ট্রেডিং হাউসের একজন ডিলার জানিয়েছেন, ক্রেতারাও বর্তমান বাজার দরের চেয়ে সামান্য কম দামের চুক্তি বাতিল করতে সম্মত হয়েছেন। আর বিক্রেতাদের সাথে পারস্পরিক সিদ্ধান্তে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জুলাই ডেলিভারির জন্য ভারতে প্রতি টন ক্রুড পাম অয়েল প্রায় ১,০৭০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। যা দাম এক মাস আগে ১,০২০ থেকে ১,০৩০ ডলার মধ্যে ছিল। উদ্ভিজ্জ তেলের ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান সানভিন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী সন্দীপ বাজোরিয়া বলেছেন, বাতিলিকরণের সত্ত্বেও সাম্প্রতিক মাসগুলিতে CPO গড়ের অনেক নিচে নেমে যায়, তবে আগামী মাসগুলিতে ভারতীয় আমদানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়ে গেছে। এছাড়াও জানা যাচ্ছে যে মে মাসে ভারতের পাম তেল আমদানি ছয় মাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। যার মূল কারণ হল CPO- এর মজুদ কম থাকা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী সয়া তেল ও সূর্যমুখী তেলের তুলনায় এই তেলের দাম কম থাকা।




