Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের পেনশন ব্যবস্থা বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিংয়ের তলানিতে নেমে এসেছে। যা কভারেজ, পর্যাপ্ততা (adequacy) এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ক্রমাগত চ্যালেঞ্জগুলিকে তুলে ধরে। বিশ্বব্যাপী ভাবে সিঙ্গাপুর ৮৬.০ স্কোর নিয়ে ২০২৫ সূচকে শীর্ষে রয়েছে। তারপরে জায়গা করে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস (৮৪.৯) এবং আইসল্যান্ড (৮৩.৮)। এমনকি সেরা ১০- এ জায়গা পায়নি চীন, ইন্দোনেশিয়া এবং থাইল্যান্ড। মার্সার রিপোর্ট অনুসারে, ভারতের সামগ্রিক সূচক মূল্য গত বছরের ৪৪ থেকে ২০২৫ সালে ৪৩.৮-এ নেমে এসেছে। আমাদের দেশের সবচেয়ে দুর্বল স্কোর ছিল পর্যাপ্ততার ক্ষেত্রে ‘E’ গ্রেড পেয়েছে, যেখানে স্থায়িত্ব এবং অখণ্ডতা যথাক্রমে ‘D’ এবং ‘C’ তে সামান্য ভালো ফলাফল করেছে।
মার্সার CFA ইনস্টিটিউট গ্লোবাল পেনশন ইনডেক্স ২০২৫ অনুসারে, ভারতকে ‘ডি’ গ্রেড দেওয়া হয়েছে। এটি তুরস্ক, আর্জেন্টিনা এবং ফিলিপাইনের সাথে স্থান পেয়েছে। যে দেশগুলির পেনশন ব্যবস্থায় “কিছু পছন্দসই বৈশিষ্ট্য রয়েছে, কিন্তু প্রধান কিছু দুর্বলতার সাথে, যার জন্য জরুরি মনোযোগ প্রয়োজন”। প্রথমেই ক্ষুদ্র স্তরে EPFO এবং NPS উভয়ের আওতাধীন পেনশনভোগীরা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলি তুলে ধরেছেন। একজন অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি খাতের কর্মচারী বলেন, “কর্মচারী পেনশন প্রকল্পের অধীনে সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ পেনশন বছরের পর বছর ধরে প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা এবং ৭,৫০০ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। যা একটি অবাস্তব এবং অবিলম্বে এটি সংশোধন করা উচিত।
মার্সারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, দরিদ্রতম বয়স্ক নাগরিকদের জন্য ন্যূনতম আয়ের স্তর প্রবর্তন এবং অসংগঠিত কর্মীদের আওতা সম্প্রসারণ, সময়ের সাথে সাথে সম্পদ তৈরি এবং বেসরকারি পেনশন প্রকল্পের জন্য নিয়মকানুন শক্তিশালী করার মাধ্যমে ভারতের র্যাঙ্কিং উন্নত হতে পারে। এখনো ভারতের পেনশন সম্পদ-GDP অনুপাত এখনও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০২৪-২৫ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে দেশের মোট পেনশন সম্পদ – যার মধ্যে রয়েছে EPF এবং জাতীয় পেনশন ব্যবস্থা (NPS)। যা একসাথে GDP- এর মাত্র ২১%-এর বেশি। যেখানে OECD (Organization for Economic Co-operation and Development) দেশগুলির পেনশন সম্পদ গড়ে GDP- এর ৮০%-এর বেশি।




