Article By – সুনন্দা সেন

সিস্টেমেটিক্স গ্রুপের ফার্মা বিশ্লেষক বিশাল মানচন্দা বলেছেন যে চলমান মার্কিন ইনভেস্টিগেশন ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারকদের জন্য সম্ভাব্য শুল্কের বিষয়ে স্পষ্টতা আনতে পারে। তিনি বলেন, ফার্মার মতো সেক্টেরও উচ্চ শুল্ক দেখতে পারে। তাও এক বা দুই মাস পরে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বারা আরোপিত ৫০% শুল্ক কার্যকর হয়েছে। অবশ্য এই শুল্ক আরোপ বেশকিছু ক্ষেত্রের জন্য অব্যহতি পেয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম ফার্মা সেক্টর। তবে বাণিজ্যে শুল্ক আরোপের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং হোয়াইট হাউস ইঙ্গিত দিয়েছে ছিল যে নভেম্বর মাসে মার্কিন শুল্ক ফার্মা সেক্টরের ক্ষেত্রের কার্যকর হবে। এদিকে মার্কিন তদন্তকারীরা ধারা ২৩২-এর অধীনে তদন্তও করছে।
মানচন্দা উল্লেখ করেছেন যে ভারতীয় কোম্পানিগুলির জন্য শুল্ক বহন করা কঠিন, অবশ্য এখনও তারা সুবিধা পাচ্ছে। তিনি জানান, অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের জন্য শুল্ক বেশি হলেও দেশটি কম খরচে জেনেরিক উৎপাদন (Generics Manufacturing)-এ ভারতের উল্লেখযোগ্য সুবিধা রয়েছে। শুল্ক প্রভাব অস্থায়ী হবে এবং ইন্ডাস্ট্রি এটি মোকাবিলা করতেও সক্ষম। মানচন্দা সান ফার্মা এবং সিপলাকে পছন্দে প্রোডাক্ট হিসেবে তুলে ধরেন, কারণ এই দুই কোম্পানির মার্কিন জেনেরিকের উপর নির্ভরতা কম। মার্কিন বাজারে সান ফার্মার বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১০%-১৫%। যেখানে সিপলার বিক্রির পরিমাণ প্রায় ৩০%। আর সিপলা তাদের অনেক জেনেরিক প্রোডাক্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই তৈরি করে, যার ফলেও শুল্ক ঝুঁকি হ্রাস পায়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিবেশে উভয় কোম্পানিই ভালো অবস্থানে রয়েছে, সিপলা আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে ব্যবসায়িক বিস্তারের কাজ শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে সান ফার্মা সম্পর্কে মনচন্দা বলেন, বাজার কোনও বড় অগ্রগতির আশা করেনি। “প্রত্যাশা কম ছিল, তাই মানুষ আমদানি ডলারের দাম বাড়বে বলে আশা করছিল না, আবার ক্রমবর্ধমানভাবে নেতিবাচকও নয়।” তিনি আরও বলেন যে, হালোল প্ল্যান্টের উপর মার্কিন আমদানি সতর্কতা তুলে নেওয়া হলে এর জেনেরিক ব্যবসায়ের প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা হত, যা গত কয়েক বছর ধরে দুর্বল। তা সত্ত্বেও তিনি স্টকটির প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখেছে। কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরে এটি দ্বিঅঙ্কের রিটার্ন প্রদান করবে।




