buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
trade

অক্টোবরে রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে দেশের বাণিজ্যিক ঘাটতি; ভবিষ্যত নিয়ে কি জানাচ্ছেন বিশ্লেষকরা? জানুন আপনিও

Article By – সুনন্দা সেন

Untitled design 2024 08 09T113155.925

ভারতের মার্চেন্ডাইজ ট্রেড ডেফিসিয়েন্সি বা বাণিজ্যিক ঘাটতি চলতি বছরের অক্টোবর মাসে রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়ে ৪১.৬৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। যা আগের মাসের অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের ৩৫.১৫ বিলিয়ন ডলার থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন যে, এই বিশাল বৃদ্ধি অর্থনীতিবিদদের করা ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতির পূর্বাভাসের বিপরীতে এসেছে। আর এই বৃদ্ধির কারণ হল সোনা ও তেলের আমদানি। শুধু সোনার আমদানি অক্টোবর মাসে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪.৭ বিলিয়ন ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে উৎসবের মরশুম, গ্লোবাল প্রাইস মুভমেন্ট এবং বিনিয়োগকারীদের চাহিদা।

10

অন্যদিকে রপ্তানি অনেকটা হ্রাস পাওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে। অক্টোবর মাসে ভারতের রপ্তানি ১১.৮% হ্রাস পেয়ে প্রায় ৩৪.৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল, কেমিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স সহ অনেক খাতেই গ্লোবাল চাহিদা কমে যাওয়া এবং ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক বাড়িয়ে মোট শুল্কের হার ৫০% করার পর রপ্তানির গতি মন্থর হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, আমদানি–রপ্তানির এই বড় ফারাক ভারতের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালান্সকে চাপের মুখে ফেলতে পারে, পাশাপাশি রুপির উপরও বাড়তে পারে চাপ। তবে সেবা রপ্তানি এবং বিদেশে কর্মরত ভারতীয়দের রেমিট্যান্স ভারতের বহিঃখাতকে কিছুটা স্থিতিশীলতা দিচ্ছে। 

২০২৫-২৬ অর্থবছরের এপ্রিল থেকে অক্টোবর—এই সাত মাসে ভারতের মোট পণ্য রপ্তানি হয়েছে ২৫৪ বিলিয়ন ডলার, আর আমদানি ছুঁয়েছে ৪৫১ বিলিয়ন ডলার। ফলে এই সময়ে মোট বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯৭ বিলিয়ন ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি আগামী মাসগুলোতেও উচ্চ স্তরেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর কয়েকটি বড় কারণ—

  • তেল ও সোনার দাম: আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েল ও সোনার দাম যদি আরও বাড়ে, তাহলে আমদানির খরচ বাড়বে এবং ঘাটতিও আরও বাড়তে পারে।
  • গ্লোবাল ডিমান্ড দুর্বল: বিশ্বের বড় বড় বাজার—যেমন ইউরোপ, আমেরিকা—দুর্বল চাহিদার মধ্যে রয়েছে। এর ফলে ভারতের রপ্তানি দ্রুত বাড়ার সম্ভাবনা কম।
  • ডলারের পাওয়ার: ডলার শক্তিশালী হলে আমদানির খরচ বাড়ে। এতে ঘাটতি আরও গভীর হতে পারে।
  • দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ: “মেক ইন ইন্ডিয়া”, পিএলআই স্কিম, রপ্তানি-ভিত্তিক উৎপাদন—এইসব পদক্ষেপ মধ্যমেয়াদে ঘাটতি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading