Article By – সুনন্দা সেন

অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (ADR)-এর একটি নতুন প্রতিবেদন অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের সকল রাজ্য প্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে দরিদ্র। যার ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ মাত্র ১৫ লক্ষ টাকার বেশি। এই ফলাফলগুলি মুখ্যমন্ত্রীদের দ্বারা বিধানসভা নির্বাচনের আগে দাখিল করা হলফনামার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। যার মধ্যে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পরে পরবর্তী উপনির্বাচনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকাশিত রিপোর্টে আরও বলা হয়, ভারতে এখন নির্বাচনে অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নির্বাচনী ব্যয় বাড়ছে এবং একজন সাধারণ প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে।
ADR-এর সংকলন অনুসারে, সামগ্রিকভাবে, ৩১ জন মুখ্যমন্ত্রীর সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১,৬৩০ কোটি টাকা। দেশের যে সকল মুখ্যমন্ত্রীদের সম্পদের পরিমাণ কত জানা গেছে, তাদের বিষয় নীচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো,
- অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী: এন চন্দ্রবাবু নাইডু (N Chandrababu Naidu) ৯৩১ কোটি টাকারও বেশি সম্পদের সাথে সবচেয়ে ধনী মুখ্যমন্ত্রীর স্থান ধরে রেখেছেন। তাঁর মুখ্যমন্ত্রীত্ব ১৯৯৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালের ১১ অক্টোবর শেষ হয়। আর তিনি অন্ধ্র প্রদেশের ১৩তম মুখ্যমন্ত্রী।
- অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী: পেমা খান্ডু ৩৩২ কোটি টাকার ঘোষিত সম্পদের সাথে তার পরে রয়েছেন। ১৯৭২ সালে পূর্ববর্তী উত্তর-পূর্ব সীমান্ত সংস্থা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হওয়ার পর এবং ১৯৭৮ সালে প্রথম বিধানসভা নির্বাচনের পর তিনিই প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী: ওমর আবদুল্লাহর সম্পদের পরিমাণ ৫৫ লক্ষ টাকা। তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীত্ব করেছেন ২০০৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত সময়।
- কেরালার মুখ্যমন্ত্রী: পিনারাই বিজয়ন ১ কোটি টাকার কিছু বেশি সম্পদ নিয়ে নিচ থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। তাঁকে ২০১৮ সালে সেরা মুখ্যমন্ত্রীর জন্য গান্ধীদর্শন পুরষ্কার দেওয়া হয়েছিল।
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী: তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত সম্পদ সময়ের সাথে সাথে হ্রাস পেয়েছে। ২০২০-২১ সালে তার আয়কর রিটার্ন অনুসারে, বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ১৫.৪ লক্ষ টাকা। অবশ্য ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তার সম্পদের পরিমাণ ছিল ৩০.৪ লক্ষ টাকা। এছাড়া ৪৩,৮৩৭ টাকার ৯ গ্রাম ওজনের গয়না উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, হলফনামায় তার নামে জমিদারি সম্পত্তি বা আবাসিক বাড়ির কোনও উল্লেখ নেই।




