Article By – সুনন্দা সেন

চলতি মাসের শুরুতে ইলন মাস্কের নেতৃত্বে নেতৃত্বাধীন DOGE (Department of Government Efficiency) ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য ভারতকে ২ কোটি ১০ লক্ষ ডলারে অনুদান বাতিল করার ঘোষণা দেওয়ার পর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে জো বাইডেনের নেতৃত্বে পূর্ববর্তী প্রশাসনের অধীনে USAID ভোটারদের ভোটদানের জন্য ভারতে ২১ মিলিয়ন ডলার তহবিল বরাদ্দ করেছিল। শনিবার অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি,২০২৫ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন যে ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া তথ্য “উদ্বেগজনক” এবং সরকার এটি খতিয়ে দেখছে। তারপরে প্রকাশ করা হয়েছে অর্থমন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ২০২৩-২৪ সালে USAID ৭৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের সাতটি প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে। বর্তমানে USAID ভারতের সেই সাতটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন করছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ভারত সরকার মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা বা USAID-এর কাছ থেকে সাতটি প্রকল্পের জন্য ন্যূনতম ৯৭ মিলিয়ন ডলারের (৮২৫ কোটি টাকা) ফান্ডের অনুমোদন পেশ করেছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন পেয়েছে। দ্বিপাক্ষিক তহবিল ব্যবস্থার জন্য লোডাল বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অর্থনৈতিক বিষয় প্রতিবেদনে ২০২৩-২৪ সালে অর্থায়িত প্রকল্পগুলির বিবরণ ভাগ করে নিয়েছে।
জানা যাচ্ছে যে বছর জুড়ে ভোটারদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য কোনও ফান্ড (তহবিল) বরাদ্দ করা হয়নি। তবে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচী, জল, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি (WASH); রিনাওয়েবেল এনার্জি, ডিজাসস্টার ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কিত প্রকল্পগুলিতে অর্থায়ন করা হয়েছে। এছাড়া USAID সাস্টেনেবেল ফরেস্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাডাপটেশন প্রোগ্রাম এবং এনার্জি এফিসিয়েন্সি টেকনোলজি কমার্সিয়ালাইজেশন অ্যান্ড ইনোভেশন প্রজেক্টের জন্য তহবিল প্রদান করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। অবশ্য এই প্রথম নয় মার্কিন আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাটি ১৯৫১ সাল থেকে ভারতকে ৫৫৫ টিরও বেশি প্রকল্পের জন্য বিভিন্ন খাতে ১৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।




