buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Digital Lending

Digital lending কী? কী ধরনের ঝুঁকি জড়িত এর সঙ্গে?

ডিজিটাল লেন্ডিং প্রযুক্তি আসার পর ফিনান্সিয়াল সেক্টরে আমূল পরিবর্তন এসেছে। ডিজিটাল লেন্ডিং-এর ফলে গ্রাহকরা নতুন উপায়ে ঋণ গ্রহণের সুবিধা পান। অধিক পেপারওয়ার্ক, বিশাল লাইনে দাঁড়ানো, একাধিক ব্যাংকে ঘোরা— ইত্যাদি অসুবিধা দূর করেছে ডিজিটাল লেন্ডিং। ডিজিটাল লেন্ডিং পদ্ধতিতে অনলাইনে লোনের আবেদন করা যায় এবং এর পদ্ধতিও অনেক সহজ। আজকে আমরা আলোচনা করব ডিজিটাল লেন্ডিং পদ্ধতি সম্পর্কে, এর সুবিধা ও এর ঝুঁকি সম্পর্কে।

July 18 New in article ads By Sir

প্রথমেই জেনে নিই পার্সোনাল লোন কী। ব্যক্তিগত ঋণে কোনো জামানত রাখা হয় না এবং সাধারণত অন্য কোনো বড় ঋণ মেটানো অর্থাৎ debt consolidation বা বাড়ি মেরামত কিংবা স্বাস্থ্য পরিষেবার খরচ মেটাতে নেওয়া হয়ে থাকে পার্সোনাল লোন। পার্সোনাল লোনের ক্ষেত্রে কোনো collateral রাখা হয় না। 

ডিজিটাল লেন্ডিং কী?

অনলাইনে ইন্টারনেট প্ল্যাটফর্ম থেকে ডিজিটালি নেওয়া ঋণকে ডিজিটাল লোন বা ডিজিটাল লেন্ডিং বলা হয়। পার্সোনাল লোন ডিজিটালি নেওয়া হলে সহজে এবং নির্ঝঞ্ঝাটে ঋণ পাওয়া যায়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের রমরমার কারণে অনেক গ্রাহক চিরাচরিত ঋণ গ্রহণের তুলনায় এই পদ্ধতিতে ঋণ নেওয়া বেছে নিচ্ছেন। ফলে ব্যাংকে গিয়ে ঋণ নেওয়ার থেকে digital lending অনেকখানি জনপ্রিয় হয়েছে ভারতে। ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের সুবিধার ফলে আবেদনের প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত করা সম্ভব হয় ডিজিটাল লেন্ডিংয়ে।

Digital lending কীভাবে কাজ করে?

ডিজিটাল লেন্ডিংয়ের প্রযুক্তি-নির্ভর পদ্ধতির সাহায্যে ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা যাচাই করা হয়, অর্থাৎ একজন ব্যক্তি যদি ঋণ গ্রহণ করেন, তাহলে সেই ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা তাঁর আছে কিনা, তা যাচাই করা হয় প্রযুক্তির মাধ্যমে।

→ মূলত কোনো ব্যক্তির আর্থিক লেনদেনের বিবরণ, সামাজিক মাধ্যমে তাঁর উপস্থিতি বা তাঁর ডিজিটাল প্রেজেন্স বুঝে তাঁকে ঋণ বা ধার দেওয়ার পদ্ধতি শুরু হয়। কেবলমাত্র ক্রেডিট স্কোরের ভিত্তিতেই ডিজিটাল লেন্ডিংয়ে ঋণ প্রদান করা হয় না। 

→ ডিজিটাল লেন্ডিংয়ের প্রসেসিং প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট একটি অ্যালগরিদম ফলো করে লোনের আবেদন পরীক্ষা করে এবং সুদের হার নির্ধারণ করে ও যাচাই করে আদৌ লোন পাওয়ার জন্য eligible কিনা।

→ আবেদন গ্রাহ্য হওয়ার পর খুব সহজে এবং দ্রুত লোনের ডিস্ট্রিবিউশন অর্থাৎ disburstment হয়।

11

সুবিধা : 

1. আপনি কেবলমাত্র একটি অনলাইন ফর্ম জমা করে দ্রুত ডিজিটাল পার্সোনাল লোন নিতে পারেন অতিরিক্ত পেপারওয়ার্ক ছাড়া। অর্থাৎ দ্রুত আবেদন সম্ভব।

2. Digital lending আবেদন যেমন দ্রুত করা সম্ভব, একইভাবে এই আবেদন অ্যাপ্রুভও অনেক দ্রুত হয়।

3. Digital lending platformগুলি সঙ্গে সঙ্গে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লোনের অঙ্ক disburse করে। অন্যদিকে চিরাচরিত লোনের আবেদনপত্র অ্যাপ্রুভ হওয়ার পর কয়েকদিন থেকে শুরু করে কয়েক সপ্তাহ লেগে যায় disburse হতে।

4. Digital lending পরিশোধ করার পদ্ধতিও অনেক সহজ।

ঝুঁকি : 

তবে এত সুবিধা থাকলেও অনলাইনে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি থাকে। যেমন—

1. ডিজিটাল লোনের ক্ষেত্রে ঋণ খেলাপি হয় অনেক বেশি কারণ ঋণ গ্রহীতাদের অনেক বেশি পরিমাণ ঋণ দেওয়া হয় এবং অনেকসময় সঠিক পেপারওয়ার্ক করা হয় না।

2. অনেক সময় বহু গ্রাহক লোনের শর্তাবলি ঠিকমতো না জেনেই আবেদন করে দেন, তার ফলে লোন পরিশোধের সময় বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়।

3. যদি নিয়ন্ত্রক সংস্থা উন্নত হয় এবং ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু দায়বদ্ধতা বাড়ানো হয় তাহলে ঝুঁকি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।

শেষে বলা যায়, আর্থিক লেনদেন পদ্ধতি অনেক সহজ ও উন্নত করেছে digital lending প্রযুক্তি এবং এতে শুধুমাত্র লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়, তা-ই নয়, তাছাড়াও সমগ্র ঋণ প্রক্রিয়াটি হয়েছে দ্রুত। তবে ঋণগ্রহীতারা অবশ্যই এই ধরনের ঋণ নেওয়ার আগে সবদিক বিবেচনা করে, লোনের সমস্ত শর্তাবলি যাচাই করে লোনের জন্য আবেদন করবেন।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading