“৭% আর্থিক গ্রথ থাকার পরে ভারতকে নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে স্ট্রাগল করতে হবে” সিটিগ্রুপের(City Group) এই মন্তব্যকে ভারতের কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক অগ্রাহ্য করেছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, সংস্থাটি কর্মসংস্থান সংক্রান্ত উপলব্ধ ইতিবাচক তথ্য সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। যা শ্রমবাহী সমীক্ষা বা Periodic Labour Force Survey (PLFS) এবং রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া বা RBI- এর KLEMS- এর এর উল্লেখ করা রয়েছে। এছাড়া ভারতের EPFO– এ গ্রাহকের সংখ্যার বৃদ্ধিও এড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে। যা স্পষ্টভাবে দেশের কর্মস্থান বৃদ্ধির বিষয়ে ইঙ্গিত দেয়।
PLFS এবং KLEMS (Capital, Labour, Energy, Materials and Service) – এর ডেটা অনুসারে, ২০১৭-১৮ থেকে ২০২১-২২ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ভারত ৮ কোটিরও বেশি অর্থাৎ ৮০ মিলিয়ন কর্মসংস্থান তৈরি করতে পেরেছে। অর্থাৎ দেশ প্রতিবছর ২ কোটি বা ২০ মিলিয়ন কর্মসংস্থা তৈরি করেছে। এছাড়া সিটি গ্রুপের প্রতিবেদনের বিরোধীতা করার সাথে শ্রম মন্ত্রক জাায় যে, ভারত সরকারের বহু উদ্দ্যগ রয়েছে কর্মসংস্থা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সেক্টরে, আর তার কাজ চলছে। তাই শ্রম এবং কর্মসংস্থা মন্ত্রালয় দাবি করেছে যে সিটি গ্রুপের প্রকাশিত প্রতিবেদনটি ত্রুটিপূর্ণ।
সিটিগ্রুপের(City Group) ১৫ বছর বা বেশি বয়সী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানকে নিয়ে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু পয়েন্ট তুলে ধরেছে। যা PLFS এ উল্লেখ করা ২০১৭-১৮ থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত সময়ের তথ্যকে দেখায়। —
- শ্রমিক জনসংখ্যা অনুপাত ২০১৭-১৮ সালের ৪৬.৮% থেকে বেড়ে ২০২২-২৩ সালে ৫৬% হয়েছে।
- শ্রম বাহিনী অংশগ্রহণের হার ২০১৭-১৮ সালের ৪৯.৮% থেকে ২০২২-২৩ সালে ৫৭.৯% এ উন্নীত হয়েছে।
- বেকারত্বের হার ২০১৭-১৮ সালের ৬% থেকে কমে ২০২২-২৩ সালে ৩.২% এ দাঁড়িয়েছে।
- EPFO চাকরি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। যা দেখাচ্ছে যে, সেপ্টেম্বর ২০১৭ থেকে মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে EPFO এ ৬.২ কোটির বেশি গ্রাহক যুক্ত হয়েছে।
Article By – সুনন্দা সেন






